সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
শিরোনাম
কারবালার রক্তঝরা হৃদয় বিদারক এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস আ.লীগের অপতৎপরতা মোকাবিলায় ৬ জেলায় সেনা মোতায়েন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষায় পাস, চাকরিতে যোগ দিতে এসে আটক ২ ৯ম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে ৪টি পুরস্কার জিতেছে স্যামসাং মোবাইল নড়াইলে গৃহবধূর আত্মহত্যা আস্থার ধারাবাহিকতায়: টানা আট বছর AAA ক্রেডিট রেটিং মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী - শ্রমবাজার ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর ভালোবাসার প্রধান বিষয়বস্তু হচ্ছে শিক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্টারমার
advertisement
আইন-আদালত

কোটা আন্দোলনকারীদের জন্য আদালতের দরজা সবসময় খোলা: প্রধান বিচারপতি

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেছেন, কোটা আন্দোলনকারীদের জন্য আদালতের দরজা সবসময় খোলা। যারা আন্দোলন করছেন তাদেরকে পরামর্শ দিন, তারা কেন নির্বাহী বিভাগের কথা বলে? নির্বাহী বিভাগের যে কোনও সিদ্ধান্ত তো আদালতে চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) আপিল বিভাগে একটি মামলার শুনানিতে সিনিয়র আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্টের নেতাদের তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, আন্দোলনকারীদের পরামর্শ দিন, নিজেদের দাবিগুলো তারা আইনজীবীদের মাধ্যমে তুলে ধরতে পারেন। আমরা সেটি গুরুত্ব সহকারে শুনব।

এর আগে, বুধবার (১০ জুলাই) সরকারি চাকরির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ এ রায় দেন। আগামী চার সপ্তাহ পর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হবে।

এদিকে এই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, কোটা সংস্কারের বিষয়ে কোর্ট নয়, নির্বাহী বিভাগের কাছে সিদ্ধান্ত চান তারা।

প্রসঙ্গত, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে একটি পরিপত্র জারি করে। সেখানে বলা হয়েছিল, ৯ম গ্রেড (পূর্বতন ১ম শ্রেণি) এবং ১০ম-১৩তম গ্রেড (পূর্বতন ২য় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাতালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে। ওই পদসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হয়। নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ, জেলা কোটা ১০ শতাংশ, উপজাতি পাঁচ ও প্রতিবন্ধীদের এক শতাংশ কোটা বাতিল করা হয়।

এই পরিপত্রের মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ বাতিল চ্যালেঞ্জ করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল ২০২১ সালে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করে। গত ৫ জুন রায় দেয় হাইকোর্ট। রায়ে সরকারের পরিপত্র বাতিল করে মুক্তিযোদ্ধা ৩০ শতাংশ কোটা বহাল রাখার আদেশ দেয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রপক্ষ’ আবেদন করলে ৪ জুলাই আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে নিয়মিত আপিল করতে বলেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ