সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলা - প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল ইমামী সেভেন অয়েলস ইন ওয়ানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন তাসনিয়া ফারিণ কুড়িগ্রাম-গাইবান্ধা ও রংপুরের উন্নয়ন কার্যক্রমে সমন্বয়ের তাগিদ স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর ‘এশিয়ার নোবেল’ র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান সালমান শাহ হত্যা - সামীরাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ সেপ্টেম্বর কিশোরীদের মাসিক স্বাস্থ্য ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে ‘মনের কথা’ নেপাল-তিব্বতে বন্যায় নিহত বেড়ে ৮০০, নিখোঁজ ৩ হাজার ফোবানা সম্মেলনে যোগ দিতে লস অ্যাঞ্জেলেসে পৌঁছেছেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২৫ মেগা প্রকল্প - আধুনিক হচ্ছে দেশের অভ্যন্তরীণ ও সীমান্ত নিরাপত্তা সৌদিতে নোয়াখালীর যুবককে গুলি করে হত্যা
advertisement
আন্তর্জাতিক

মিয়ানমার জান্তা সেনাদের হামলায় ২৫ প্রতিরোধ যোদ্ধা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মিয়ানমারে জান্তা সেনারা গণহত্যা চালিয়েছে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে সরকারি সেনাদের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৫ জান্তা-বিরোধী যোদ্ধা।

শুক্রবার রাতে সাগাইং অঞ্চলের মাইনমু শহরে চালানো অতর্কিত দুটি হামলায় প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে। সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম মিয়ানমার নাউ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার রাতে সাগাইং অঞ্চলের মাইনমু টাউনশিপে অতর্কিতভাবে চালানো দুটি হামলায় পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (পিডিএফ)-সহ সশস্ত্র জান্তাবিরোধী প্রতিরোধ গোষ্ঠীর ২৫ জন সদস্য নিহত হয়েছেন।এর মধ্যে মাইনমু শহরের ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে চ্যা ইয়ার তাও গ্রামের কাছে জান্তা বাহিনীর প্রথম আক্রমণটি হয়। ১৮ জন গেরিলা যোদ্ধাকে বহনকারী একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে ওই হামলা চালানো হয়।হামলার শিকার এই প্রতিরোধ যোদ্ধারা মাইনমু এবং মায়াংয়ে মধ্যে ভ্রমণ করছিলেন।

সাগাইং ডিস্ট্রিক্ট পিডিএফ-এর ৫ম ব্যাটালিয়নের মুখপাত্রের মতে, জান্তা বাহিনীর ওই হামলায় গাড়ির আরোহীদের সবাই নিহত হয়েছেন।এর কয়েক মিনিট পর প্রতিরোধ বাহিনীর সাত সদস্যের আরেকটি মোটরসাইকেল কনভয়কে লক্ষ্য করে জান্তা বাহিনীর একই ইউনিট হামলা চালায়।

পিডিএফ তথ্য কর্মকর্তা বলেন, ওই হামলায়ও কেউ বেঁচে নেই।নিহত যোদ্ধারা সাগাইং ডিস্ট্রিক্ট পিডিএফের ৫ম ও ৬ষ্ঠ ব্যাটালিয়নের পাশাপাশি মাইনমু টাউনশিপের কিয়াউত মিন গ্রাম প্রতিরক্ষা দলের সদস্য ছিল। তারা অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের (আইডিপি) দখলকৃত স্থান থেকে নিরাপদে পালাতে সাহায্য করার চেষ্টা করছিলেন বলে জানা গেছে।

পিডিএফ মুখপাত্র বলেছেন, ‘যখন সামরিক বাহিনী ওই গ্রামগুলোতে আক্রমণ শুরু করে, তখন আমার ব্যাটালিয়নের কমরেডরা ছুটি নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন, তারা এবং তাদের বন্ধুরা বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল। তাদের আক্রমণের প্রথম প্রচেষ্টার সময় তারা পালিয়ে যায়। এরপর বাকি বাস্তুচ্যুতদের সাহায্য করতে তারা ফিরে গেলে তাদের ওপর আবার হামলা করে হত্যা করা হয়।’

এদিকে অতর্কিত এই হামলার পর জান্তাপন্থি টেলিগ্রাম চ্যানেলের বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করা হয়। এসব ছবিতে জ্বলন্ত গাড়ি, রক্তাক্ত মরদেহ দেখা যায়। পরে নিহতদের মরদেহ ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যাওয়া হয় এবং শনিবার বিকেলে তাদের স্বজন ও ব্যাটালিয়নের সদস্যরা দাফন করে।

পৃথক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতী জানিয়েছে, শনিবার মাইনমু-মাইয়াং সড়কের চ্যা ইয়ার তাও গ্রামের কাছে ২৪ জন প্রতিরোধ যোদ্ধা এবং মাইনমু টাউনশিপ প্রশাসনিক কর্মীদের মৃতদেহ পাওয়া গেছে বলে বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

গ্রুপগুলো জানিয়েছে, যোদ্ধারা সশস্ত্র থাকলেও তাদের কাছে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল ও পর্যাপ্ত গোলাবারুদ ছিল না এবং তারা আশপাশের ঘিরে ফেলা বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল। পরে তাদেরকে হত্যা করা হয়।অবশ্য আটকদের মধ্যে তিনজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় বলে জানান তারা। আন্তর্জাতিক

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ