সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলা - প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল ইমামী সেভেন অয়েলস ইন ওয়ানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন তাসনিয়া ফারিণ কুড়িগ্রাম-গাইবান্ধা ও রংপুরের উন্নয়ন কার্যক্রমে সমন্বয়ের তাগিদ স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর ‘এশিয়ার নোবেল’ র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান সালমান শাহ হত্যা - সামীরাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ সেপ্টেম্বর কিশোরীদের মাসিক স্বাস্থ্য ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে ‘মনের কথা’ নেপাল-তিব্বতে বন্যায় নিহত বেড়ে ৮০০, নিখোঁজ ৩ হাজার ফোবানা সম্মেলনে যোগ দিতে লস অ্যাঞ্জেলেসে পৌঁছেছেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২৫ মেগা প্রকল্প - আধুনিক হচ্ছে দেশের অভ্যন্তরীণ ও সীমান্ত নিরাপত্তা সৌদিতে নোয়াখালীর যুবককে গুলি করে হত্যা
advertisement
আন্তর্জাতিক

ইউনেস্কোর ঐতিহ্যবাহী স্থানের নতুন তালিকা প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :বিশ্ব ঐতিহ্যের নতুন তালিকায় যেসব স্থান ও স্থাপনা জায়গা পেয়েছে সেগুলোর নাম প্রকাশ করেছে ইউনেস্কো। নতুন তালিকায় রয়েছে ইরান, ভারত, জার্মানি, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, রুয়ান্ডাসহ কয়েকটি দেশের বিখ্যাত সব জায়গা।

ঐতিহ্যবাহী এসব স্থানগুলো হলো-

রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিন্তাধারায় গড়ে ওঠা বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তার শান্তিনিকেতন প্রকল্পের অন্তর্গত। ২০২৩ সালের মে মাসে ভারতের কেন্দ্রীয় সংস্কৃতিমন্ত্রী জানান, পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনকে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের তালিকায় রাখার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। ইউনেস্কোর উপদেষ্টা সংগঠন ইকোমস এ সুপারিশ করে। এখন তা বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় জায়গা পেয়েছে।

বেলজিয়ামের টাইন কট কবরস্থান :বেলজিয়ামের টাইন কট কমনওয়েলথ কবরস্থান উঠে এসেছে এবারের তালিকায়। ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ পর্যন্ত চলা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈন্যদের মরদেহ এখানে শায়িত রয়েছে।

রুয়ান্ডার মুরাম্বি, নিয়ামাটা, গিসোজি ও বিসেসেরোর স্মারক : ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডার টুটসি গোষ্ঠীর মানুষদের গণহত্যা করা হয়। মুরাম্বি, নিয়ামাটা, গিসোজি ও বিসেসেরোর স্মারককে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দিচ্ছে বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান হিসেবে। সেই সময় রুয়ান্ডার প্রায় ৮ লাখ টুটসিকে মারা হয়েছিল। শুধু গিসোজিতেই মারা যান আড়াই লাখ টুটসি।

ভারতে হোয়সালা যুগের স্মৃতি : ভারতের কর্ণাটকে এখনও রয়েছে বহু মন্দির যা স্মরণ করায় সেই অঞ্চলের হোয়সালা বা হৈসল যুগের কথা। হৈসল রাজারা প্রায় দেড় হাজার মন্দির বানিয়েছিলেন, যার মধ্যে মাত্র ১০০টি এখনও রয়েছে। ছবিতে সেই সময়ের চেন্নাকেশব মন্দির।

ডেনমার্কের ভাইকিং যুগের রিং দুর্গ : ডেনমার্কে আংটি বা রিংয়ের আদলে গড়ে তোলা পাঁচটি দুর্গ ভাইকিং যুগের। ক্ষমতার প্রতীক ও নিরাপত্তা দিতে সক্ষম এসব দুর্গ তৈরি করা হয়েছিল দশম শতাব্দীতে।

জার্মানির এরফুর্ট শহরের ওল্ড সিনাগগ : জার্মানির শহর এরফুর্টে মধ্য যুগে বাস করতেন বহু ইহুদি। সেই সময়ের কথা এখনো মনে পড়ে শহরটির বহু স্মারক বা ভবন দেখলে। ১১০০ শতাব্দীতে সেখানে একটি সিনাগগ স্থাপন করা হয়। এই সিনাগগটি বর্তমানে ইউরোপের সবচেয়ে পুরোনো, বড় ও সুনিপুণভাবে সংরক্ষিত সিনাগগের একটি।

দক্ষিণ কোরিয়ায় কবরের পাহাড় : ৪২ থেকে ৫৩২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বর্তমান দক্ষিণ কোরিয়ার এ অংশটি গায়া তুমুলি রাজ্য নামে পরিচিত ছিল। সে সময় এখানেই মৃতদের কবর দেওয়া হতো।

চীনের চায়ের জঙ্গল : চা ছাড়া চীন? অসম্ভব! তাই তো ইউনেস্কো এবারের বিশ্ব ঐতিহে্যর তালিকায় যুক্ত করেছে চীনের নিংমাই পাহাড়ি অঞ্চল। সেখানে কয়েক হাজার বছর ধরে বিশেষ পরিবেশে ও স্থানীয় লোকজ আঙ্গিকে নানা ধরনের চায়ের বাগান গড়ে উঠেছে।

রাশিয়ায় কাজান শহরের বিশ্ববিদ্যালয় ; রাশিয়ার কাজান সিটি অ্যাস্ট্রনমিক্যাল অবজার্ভেটারি তৈরি হয় ১৮৩৭ সালে। পুরোনো জ্যোতির্বিদ্যা থেকে বর্তমানের মহাকাশ গবেষণার যাত্রা যে কত দীর্ঘ, তা এখানে আসলেই বোঝা যাবে। ইউনেস্কোর তালিকায় উঠে এসেছে শুধু এই অবজারভেটরিই নয়, কাজান শহরের পুরোনো অংশও।

ইরানের কারাভান সরাইহাজার বছর পুরোনো পথের গা ঘেঁষে সরাইখানা, যার নাম কারাভান। এমন বেশ কয়েকটি সরাইখানা আছে ইরানে, যা তৈরি করতে লেগেছিল কয়েকশ বছর। এই সরাইখানাগুলোতে আশ্রয় তো নেওয়া যেতোই, সাথে মিলতো খাবার, পানীয় ও সঙ্গী। সূত্র: ডয়েচে ভেলে

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ