সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
নরসিংদীতে  কারাগারে বন্দীদের জন্য টিভি-বাদ্যযন্ত্র ও সেলাই মেশিন বিতরণ শার্শায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী - মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিতে কোনো ঝুঁকি নেই “অপরাজিত ২৪ ফাউন্ডেশন’কে” এনসিসি ব্যাংকের অনুদান করপোরেট উদ্যোক্তার শেয়ার বিক্রি করল ইউসিবি গুমের সাথে জড়িত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে: রাষ্ট্রপতি প্রজ্ঞাপন জারি - এনবিআরে বড় রদবদল, একযোগে ৬৮ অতিরিক্ত ও যুগ্ম কর কমিশনারকে বদলি ১০ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার পর্যন্ত বিশাল ব্যাটারি নিয়ে বাংলাদেশে আসছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ নোয়াখালীতে দুই হোটেলে ডিবির অভিযান, গ্রেপ্তার ৮ সাবেক সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপনের এপিএস গ্রেপ্তার
advertisement
আন্তর্জাতিক

মিসরের স্কুলে নিষিদ্ধ হলো নেকাব, হিজাবেও বাধ্য করা যাবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মিসরের স্কুলগুলোতে ছাত্রীদের নিকাব পরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। হিজাব পরতেও কাউকে বাধ্য করা যাবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার। মিসরের রাষ্ট্রায়াত্ত্ব সংবাদপত্র আহরামের বরাতে বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।

হিজাব-নেকাব বিষয়ে গত সোমবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন মিসরীয় শিক্ষামন্ত্রী রেদা হেগাজি। এতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীরা স্কুলে তাদের চুল ঢাকবে কি না, সেটি তাদের একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়। তবে কোনোভাবেই মুখ ঢাকা যাবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে সরাসরি নেকাব শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি। এতে বলা হয়েছে, মুখ দেখা যাবে না, এমন কোনো চুলের আচ্ছাদন (হিজাব) গ্রহণযোগ্য নয় এবং আচ্ছাদনটি অবশ্যই মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় শিক্ষা অধিদপ্তর নির্বাচিত রঙের হতে হবে।

এই সিদ্ধান্ত আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া নতুন শিক্ষাবর্ষে কার্যকর হবে। এটি শেষ হবে ২০২৪ সালের ৮ জুন।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের পক্ষে-বিপক্ষে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মিসরীয়রা। ব্যক্তিগত সুরক্ষার খাতিরে তাদের কেউই নামপ্রকাশে রাজি হননি।

আলেকজান্দ্রিয়া থেকে ৩৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তি বলেছেন, তিনি স্কুলে নেকাব পরার বিপক্ষে। তার যুক্তি, শিক্ষার্থীদের সাহায্য করতে বা প্রয়োজনীয় মনোযোগ দেখানোর জন্য তাদের শারীরিক ভাষা ও মুখের অভিব্যক্তি বোঝা দরকার শিক্ষকদের। এতে বাধা সৃষ্টি করে স্কুলে এমন কোনো কিছুর অনুমতি দেওয়া উচিত নয়।

৩৮ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি জানান, নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় তিনিও সরকারের সিদ্ধান্তের পক্ষে। তার মতে, স্কুলে কে ঢুকছে কে বের হচ্ছে কর্তৃপক্ষের তা শনাক্ত করতে পারা জরুরি।

তবে এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছেন অনেকে। কায়রো থেকে ৪৫ বছর বয়সী এক লেখক বলেন, সবখানে নারীরাই যে ভুক্তভোগী হন, এটি তার আরেকটি নমুনা।

৩৩ বছর বয়সী এক প্রকৌশলী বলেন, নারীরা স্কুলে নিকাব পরবে কি পরবে না, এটি তাদের স্বাধীনতার অংশ।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ