বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হলেন রুহুল কবীর রিজভী চুরির অপবাদে প্রবাসীর স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, গ্রেপ্তার ১ রেফ্রিজারেটরের কনডেনসারে নতুন যুগ, কপারের জায়গা নিচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি ঝিনাইদহে কৃষক হত্যা মামলায় ছেলের মৃত্যুদণ্ড, বাবার যাবজ্জীবন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম শনিবার থেকে কলেরা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু দেড় মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু, বাবা পুলিশ হেফাজতে স্ত্রীকে হত্যার পর মাটিচাপা, স্বামী আটক এনআরবিসি ব্যাংকে খেলাপি ঋণ আদায় কর্মসূচি ২০২৬: আদায়ে গতি, ব্যাংকের উন্নতি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু - প্রথম ভোট দিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
advertisement
স্বাস্থ্য-লাইফস্টাইল

মৃগী কি রোগীর মৃত্যু তরান্বিত করে? জেনে নিন লক্ষণ ও চিকিৎসা

স্বাস্থ্য ডেস্ক : এপিলেপ্সি কী? রোগটিকে আমরা মৃগী হিসেবে চিনি। প্রতি বছর ২৬ মার্চ দিনটি ‘পার্পল ডে অফ এপিলেপ্সি’ হিসেবে পরিচিত। কানাডায় ২০০৮ সালে দিনটি প্রথম পালিত হয়েছিল। এটি একটি স্নায়ুরোগ। তবে রোগটি নিয়ে খুব বেশি ধারণা প্রায় কারই নেই। রোগটি নিয়ে একটা সামাজিক ছুঁতমার্গও তৈরি হয়েছে। তবে রোগটি আগ্রহ তুঙ্গে। যেহেতু মৃগী সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানা যায় না, তাই সাধারণ মানুষ এর সম্পর্কে জানতে চান। যেমন, সকলেই জানতে চান, ঠিক কতটা ক্ষতিকর রোগটি? এপিলেপ্সি বা মৃগী রোগাক্রান্ত ব্যক্তির কি মৃত্যু তরান্বিত হয়?

মৃগীরোগ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির জন্য বিশ্ব জুড়ে পালিত হয় পার্পল ডে। বিশ্বের ৮৫টিরও বেশি দেশ ২৬ মার্চ পার্পল ডে দিনটি পালন করে। অনেক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা এ বিষয়ে সেমিনারের আয়োজন করে। এখনও পর্যন্ত মৃগীরোগের তেমন কোনও চিকিৎসা নেই। কিন্তু সময়মতো চিকিৎসা সত্যিই সাহায্য করতে পারে।

মৃগী রোগের প্রধান লক্ষণ হল খিঁচুনি। দু’টি মূল ধরনের খিঁচুনি দেখা যেতে পারে, প্রথমটি হল সাধারণ খিঁচুনি যা পুরো মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করে এবং দ্বিতীয়টি হল আংশিক খিঁচুনি যা মস্তিষ্কের একটি অংশকে প্রভাবিত করে।

খিঁচুনি বা মৃগীর নানা কারণ রয়েছে। বংশ পরম্পরায় রোগটি বাহিত হয়। দেখতে গেলে রোগটি আসলে উত্তরাধিকারসূত্রে আসে। খিঁচুনি হলে যাঁর হয় তাঁর এ বিষয়ে কোনও স্মৃতি থাকে না। অর্থাৎ, সুস্থ হয়ে উঠে তিনি সব শুনে আশ্চর্য হয়ে যান। বিশ্ব জুড়ে কম পক্ষে ৫ কোটি মানুষ এই রোগে ভোগেন।

জেনে নিন কখন রোগটি বাড়ে:

*জ্বর হলে

*ঘুম কম হলে

*মানসিক চাপ বাড়লে

*অ্যালকোহল ক্যাফিন বেশি খেলে

*পুষ্টিকর খাবার শরীরে কম ঢুকলে

কারও খিঁচুনি হচ্ছে দেখলেই সবার আগে রোগীর মাথাটা নিরাপদে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। তাঁরে পাশ ফিরে রাখতে হবে। যখন খিঁচুনি চলতে থাকবে তখন সংশ্লিষ্ট রোগীকে টানাটানি করলে চলবে না। তাঁকে সময় দিতে হবে।

যে ব্যক্তি মৃগী বা খিঁচুনিতে ভোগেন তাঁকে এই পরিস্থিতিগুলি এড়িয়ে চলতে হবে। মানে তাঁকে পর্যাপ্ত ঘুমোতে হবে, মানসিক চাপে ভুগলে চলবে না, মাত্রাতিরিক্ত অ্যালকোহল ও ক্যাফিনকে জীবন থেকে বিদায় জানাতে হবে এবং পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। জ্বর হওয়াটা তো কারও হাতের মধ্যে থাকে না। তবে তাকে সাবধানে থাকতে হবে।

একটি নতুন গবেষণা বলছে, মৃগী রোগীদের মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি। একটি নিউরোলজি জার্নালে এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। তা-ও আবার কমবয়েসি মৃগী রোগীদের মধ্যে এই মৃত্যুর প্রবণতা বেশি। সূত্র-জিনিউজ।

আরও পড়ুন:

খেজুরের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে নিন

রোজায় স্বাস্থ্যসম্মত ইফতার ও সেহরি কেমন হবে?

রোজায় এসিডিটি দূর করবেন যেভাবে

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ