মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
Price Sensitive Information of Apex Tannery Ltd. ওয়ালটনের প্রযুক্তি ও উৎপাদন সক্ষমতায় মুগ্ধ মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিসেস অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন দুই অর্থনীতিবিদ রিয়াদে ২৪ জনের বেশি বাংলাদেশি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ৫ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, শুরু ২১ জানুয়ারি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণের বিকল্প নেই: ভূমি প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ-কানাডা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের তাগিদ - প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ জ্বালানি খাতে ব্যয়ের চাপ সামলাতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চায় বাংলাদেশ গ্রিডের চেয়ে সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি ৫-৬ টাকা সাশ্রয় সম্ভব, মিলবে পরিবেশগত সুফল দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক-শেয়ারবাজার
advertisement
আইন-আদালত

ঝিনাইদহে শিশু সাবা হত্যা মামলায় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ঝিনাইদহ পৌর এলাকার পবহাটি গ্রামের চাঞ্চল্যকর শিশু সাইমা আক্তার সাবা হত্যা মামলার রায় ঘোষনা করেছেন ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. হেলাল উদ্দীন এ রায় ঘোষণা করেন। 

আলোচিত এই মামলায় মোট ২৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

দণ্ডিত শান্তনা খাতুন শহরের পবহাটি গ্রামের ভ্যানচালক মাসুদের দ্বিতীয় স্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আকিদুল ইসলাম।

জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর রাতে ঝিনাইদহ পৌর এলাকার পবহাটি গ্রামের ভ্যানচালক সাইদুল ইসলামের ৩ বছর ৬ মাস বয়সের শিশু কন্যা সাইমা আক্তার সাবাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। প্রতিবেশী অপর ভ্যানচালক মাসুদের দ্বিতীয় স্ত্রী শান্তনা খাতুন শিশুটিকে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে খাটের নিচে লুকিয়ে রেখেছিল। রাত আনুমানিক ৯টার দিকে মরদেহ কাপড়ে মুড়ে অতি গোপনে ঘর থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলেও রাস্তায় লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে সে ঘরে ফিরে যায়।

পরে খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই দিন রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শান্তনার বাড়িঘর ঘেরাও করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে সেনাবাহিনী ও পুলিশ উপস্থিত হয় এবং খাটের নিচ থেকে শিশু সাবার মরদেহ উদ্ধার করে। ওই রাতেই পুলিশ অভিযুক্ত শান্তনাকে আটক করে।

আদালতে ১৬৪ ধারায় শান্তনা খাতুন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন এবং সেই থেকে তিনি কারাগারে বন্দি রয়েছেন। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে সে সময় গোটা শহর ও জনপদ উত্তাল হয়ে উঠেছিল। চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার রায়ের পর বাদীপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ না করে জানান, তারা আসামির ফাঁসির আদেশ প্রত্যাশা করেছিলেন।

 

 

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ