বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক বিজয়: প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্ট যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ বাংলাদেশে সৌদি আরবের বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সূচকের মিশ্রাবস্থায় লেনদেন শেষ দুই বছরেও উদ্ধার হয়নি ৪ আগস্টের অবৈধ অস্ত্র, ৯ মামলার মধ্যে ৩টির চার্জশিট নোয়াখালীতে ডাকাতির তিন দিন পর ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার ভারত থেকে এলো ৯ টন কাঁচামরিচ নিরাপদ পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে আইনি ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
advertisement
শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি

টেকসই শিক্ষা-সংস্কৃতি বিনির্মাণে সম্মিলিত অংশ গ্রহণ অপরিহার্য-রবি উপাচার্য

সেলিম রেজা, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : ৩ মার্চ (শুক্রবার) শহীদ নূরুল হোসেন ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম।

এসময় প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম বলেন, বাংলাদেশের একটি টেকসই শিক্ষা সংস্কৃতির বিনির্মাণে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ অপরিহার্য এবং বাংলাদেশের শিক্ষাকে উৎপাদনমুখী এবং টেকসই করতে হলে শিক্ষার সঙ্গে দুটি বিষয়ের সংযুক্তির কোন বিকল্প নেই। একটি হচ্ছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অন্যটি হচ্ছে বাংলাদেশের আবহমান কাল ধরে চর্চিত সংস্কৃতির উপকরণ।

যদি এই দুটি বিষয়কে আমরা আমাদের শিক্ষা প্রদান পদ্ধতি এবং শিক্ষার যে কারিকুলাম তার সঙ্গে যুক্ত করা যায় তাহলে আমাদের আজকের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের গৌরব উজ্জ্বল অধ্যায় এবং মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারবে এবং যারা দেশের জন্য আত্মবলিদান করেছেন, তাঁদের বীরত্বে গাঁথা ও বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারবে।

রবি উপাচার্য বলেন, এই বিষয় গুলো সম্পর্কে তাদের যদি সম্যক ধারণা দেয়া হয়, তাহলে তারা গৌরবান্বিত বোধ করবে এবং নিজেরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে গড়ে উঠবে। তাদের যে প্রজ্ঞা এবং অর্জিত জ্ঞান তার সঠিক ব্যবহারটি দেশের প্রয়োজনে বিনিয়োগে সমর্থ হবে। এজন্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রের সাথে সম্মিলিত ভাবে দায়িত্বটি পালন করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের যে গৌরব উজ্জ্বল সময় সেই সময়ে প্রতিষ্ঠিত এই কলেজের একটি গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাস আছে, সঙ্গে সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানের কিছু দায়িত্বও রয়েছে। ইতিপূর্বে এই কলেজ যে ভাবে তার দ্বায়িত্ব পালন করেছে, আমরা আশা করি ভবিষ্যতেও তারা সেই ধারাতেই শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালিত করবে, এবং একটি স্বনির্ভর উন্নত এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহায়তা করবে।,
সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সাথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মাসুদ হোসেন, উপস্থিত ছিলেন সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক কাশীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর মঞ্জুর এলাহী। অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা, শহীদ নুরুল হোসেন ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীগণ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ