মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনাম
পাচারের টাকা দেশে ফিরিয়ে এনে ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডে ব্যবহার করা হবে: প্রধানমন্ত্রী মেঘনা ব্যাংক ডিপিডিসি সাতমসজিদ রোডে বিল সংগ্রহ বুথ চালু শাহজীবাজার পাওয়ারের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যশোরের সাবিরা সুলতানা মুন্নী সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নোয়াখালীর প্রবাসীর মৃত্যু, আহত ২ “বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ” শীর্ষক কর্মশালা আয়োজন করল এমটিবি সূচকের পতনে লেনদেন শেষ শার্শায় ৪টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা পাম্প থেকে তেল নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে কৃষাণীর মৃত্যু এনআরবিসি ব্যাংকের সঙ্গে ব্রাক সাজন এক্সচেঞ্জের চুক্তি
অর্থ-বাণিজ্য

ঈদের আগমুহূর্তে অস্থির মাংসের বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈদের আগমুহূর্তে অস্থির হয়ে উঠেছে মাংসের বাজার। সবচেয়ে বেশি উত্তাপ মুরগির দামে। এক সপ্তাহে ব্রয়লারের দাম কেজিতে ৪০ ও সোনালি মুরগি ৩০ টাকা বেড়েছে। গরুর মাংসের দাম কেজিতে কোথাও ৩০, কোথাও ৫০ টাকা বেড়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদ উপলক্ষে মুরগির চাহিদা বাড়লেও সরবরাহ কম। এ সুযোগ নিয়েছেন খামারিরা। দামের ক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়েছে। অন্যদিকে, সেমাই-চিনির বিক্রি সাম্প্রতিক বছরগুলোর তুলনায় অনেক কম। মানুষের কাছে টাকাপয়সা কম থাকায় সেমাই-চিনির বাজারে ক্রেতা কমেছে বলে জানান তারা।

গত ১৫ মার্চ কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৭৫, সোনালি মুরগি ২৬২ এবং গরুর মাংস ৬৬৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল। কিন্তু এমন দরে কোথাও বিক্রি হচ্ছে না এসব। শুক্রবার রাজধানীর তেজগাঁও কলোনি বাজার, মহাখালী ও কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ।

সপ্তাহখানেক আগে ব্রয়লার প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২১০ এবং সোনালি জাতের মুরগি ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহে ডিমের দাম ডজনে কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। ফার্মের প্রতি ডজন বাদামি রঙের ডিম কেনা যাচ্ছে ১২০ টাকায়।

কারওয়ান বাজারের মা আয়েশা ব্রয়লার হাউসের বিক্রয়কর্মী আমজাদ হোসেন বলেন, ঈদে ব্রয়লার মুরগির চাহিদা বেড়ে যায়। কিন্তু কয়েক দিন ধরে বাজারে সরবরাহ কম। খামারিরা দামও বাড়িয়েছেন। সেজন্য খুচরা দোকানেও দর বেড়েছে।

মুরগির দাম বাড়ার পেছনে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর কারসাজি রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে প্রান্তিক খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)। সংগঠনটির সভাপতি সুমন হাওলাদার বলেন, করপোরেট গ্রুপগুলো কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করায় মুরগির বাচ্চা কিনতে পারছেন না প্রান্তিক খামারিরা। তাই উৎপাদন থেকে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। বাজারে এখন বেশির ভাগ মুরগি হচ্ছে করপোরেট গ্রুপগুলো থেকে। বাজার নিয়ন্ত্রণও করছে তারা। তিনি বলেন, একটি মুরগির বাচ্চা উৎপাদন করতে খরচ হয় ২৮ থেকে ৩০ টাকা। অথচ প্রান্তিক খামারিদের সেই বাচ্চা কিনতে হয় ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। এদিকে ব্রয়লার মুরগির ফিড উৎপাদন করতে খরচ হয় ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, কিন্তু খামারিদের সেই ফিড কিনতে হয় ৭০ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে।

বেশ কিছুদিন ধরে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে এখন বেশির ভাগ জায়গায় বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা। কোথাও কোথাও ৭৫০ টাকায়ও পাওয়া যাচ্ছে। খাসির মাংস আগের মতোই এক হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এই সম্পর্কিত আরো

পাচারের টাকা দেশে ফিরিয়ে এনে ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডে ব্যবহার করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

মেঘনা ব্যাংক ডিপিডিসি সাতমসজিদ রোডে বিল সংগ্রহ বুথ চালু

শাহজীবাজার পাওয়ারের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যশোরের সাবিরা সুলতানা মুন্নী

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নোয়াখালীর প্রবাসীর মৃত্যু, আহত ২

“বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ” শীর্ষক কর্মশালা আয়োজন করল এমটিবি

সূচকের পতনে লেনদেন শেষ

শার্শায় ৪টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

পাম্প থেকে তেল নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে কৃষাণীর মৃত্যু

এনআরবিসি ব্যাংকের সঙ্গে ব্রাক সাজন এক্সচেঞ্জের চুক্তি