শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম
শার্শায় বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবক আটক বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতীয় বিমান বিধ্বস্ত মধ্যরাত পর্যন্ত সারা দেশে গ্যাসের চাপ কম থাকবে বিএনপির সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনই আমাদের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট - সংকট উত্তরণ নাকি গতানুগতিকতার বৃত্তে বন্দি? বাবার স্মৃতি বিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর ও হেনস্তা, ৩ পুলিশ সদস্য ক্লোজড নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন চলচ্চিত্র পরিচালক রাইসুল ইসলাম অনিক ভারতের নতুন হাইকমিশনার - একই আকাশ-বাতাস, একই জল তরঙ্গ, আমরা মিলেমিশে কাজ করব মমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

বাজেট ঘাটতি পূরণে ব্যাংক খাতে ঝুঁকছে সরকার

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক : বাজেট ঘাটতি পূরণে সরকার বিভিন্ন খাত থেকে ঋণ নেয়। এক্ষেত্রে সঞ্চয়পত্রকে বড় একটি খাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে সম্প্রতি উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং কড়াকড়ি আরোপে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রিতে ব্যাপক ভাটা পড়েছে। বিদেশ থেকেও পর্যাপ্ত ঋণ সহয়তা পাওয়া যাচ্ছে না। এরফলে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বাড়ছে। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রথম সাড়ে ৭ মাসে ব্যাংক খাতে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের সাড়ে সাত মাসে প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে সরকার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ৫৪ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছে। এর মধ্যে থেকে ১৩ হাজার কোটি টাকা বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর থেকে নেওয়া আগের ঋণ পরিশোধ করেছে। এর ফলে এই সাড়ে সাত মাসে ব্যাংক থেকে সরকারের নিট ঋণের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার কোটি টাকা। এই পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের চেয়ে তিন গুণেরও বেশি। গত ২০২১-২২ অর্থবছরের একই সময়ে ব্যাংক থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল সরকার।

উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সুদের হার হ্রাস ও নানা কড়াকড়ির কারণে সঞ্চয়পত্র বিক্রি তলানিতে নেমে এসেছে। সে কারণে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডসহ অন্যান্য খরচ মেটাতে এই খাত থেকে কোনো ঋণ নিতে পারছে না সরকার। উল্টো ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আগে বিক্রি হওয়া সঞ্চয়পত্রের সুদ-আসল পরিশোধ করতে হচ্ছে। এদিকে আশানুরূপ বিদেশি ঋণ-সহায়তাও আসছে না। আর তাতে বাধ্য হয়ে সরকারকে ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে সম্প্রতি ঋণ অনিয়মের খবরে আমানতের পরিমাণ কমেছে অনেক ব্যাংকের। এতে তারল্য সংকটে ভুগছে দেশের ব্যাংকিং খাত। ফলে চলতি অর্থবছরের আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তফসিলি ব্যাংকগুলো থেকে সরকার ঋণ না নিয়ে উল্টো তাদের আগের ঋণ পরিশোধ করেছে।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে জুলাইতে তফসিলি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে ১ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকা। কিন্তু পরবর্তীতে ঋণ না নিয়ে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগের ১৩ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। ফলে দেশের বাজেট ঘাটতি পূরণে সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের দিকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি পূরণে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে সরকার। আগের অর্থবছরে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্য ছিল ৭৬ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। অর্থাৎ এবার প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা বেশি ঋণ নেয়ার লক্ষ্য সরকারের।

এদিকে, চলতি অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র থেকেও ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে সরকার।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ