বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
এমপি গাজী নজরুলের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে ইসি দেশে ৩ লাখ ৪৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল মজুত রয়েছে: জ্বালানি মন্ত্রণালয় ইসলামী ব্যাংকের ‘গ্রাহক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত আগামী ২৯ জুলাই মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের পর্ষদ সভা ৭২টি পদে ৬৪৭ জনকে নিয়োগ দেবে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর মিস্টার বিস্ট নৈতিক স্খলন প্রমাণিত - জামায়াত এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার আইএফআইসি ব্যাংক ও অ্যাস্ট্রা এয়ারওয়েজের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, ১৬ মেট্রো স্টেশন বন্ধ ঘোষণা ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে এলএল.বি ফল-২০২৬ ব্যাচের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

দেশে ৩ লাখ ৪৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল মজুত রয়েছে: জ্বালানি মন্ত্রণালয়

দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ধরনের সংকট নেই। বর্তমানে সরকারের কাছে ৩ লাখ ৪৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল মজুত আছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।

বুধবার (২২ জুলাই) সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিন এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের কোনরকম সংকট এই মুহূর্তে নেই। আজকের দিনে ডিজেলের মজুত আছে প্রায় ৩১ দিনের। অকটেন আছে ৩৬ দিনের; পেট্রোল ২০ দিনের; ফার্নেস অয়েল ২৫ দিনের এবং গেট কয়েল আছে ২০ দিনের। স্বাভাবিকভাবে যা থাকার কথা তার চেয়ে অনেক বেশি আছে। আমাদের সাপ্লাই চেইনেও পর্যাপ্ত সাপ্লাই রয়েছে। মজুত যা আছে তা দিয়ে আগামী আগস্ট মাস পর্যন্ত আমাদের ডিজেল সরবরাহ চলবে।

যুগ্ম সচিব মনির হোসেন বলেন, আজ দু’একটা মিডিয়া কিছু নিউজ হয়েছে জ্বালানি তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ে। তাই আমরা মনে করছি, প্রকৃত তথ্যটা জানানো দরকার। কারণ গুজব সবার জন্যই খুবই পীড়াদায়ক। এতে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। 

তিনি আরও বলেন, আমাদের নরমাল যে মজুদ থাকে তার চেয়ে অনেক বেশি আছে। আমরা ধীরে ধীরে এটিকে দেড় মাস, এরপর ৬০ দিন এবং এক পর্যায়ে ৯০ দিনে উন্নীত করার চেষ্টা করছি। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ১ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আসবে। আগস্টে আসবে ২ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন। অন্যান্য জ্বালানি পণ্যেরও সংকট নাই। 

তিনি বলেন, দেশের জ্বালানি তেল পুরোপুরি আমদানি নির্ভর। যদিও প্রাকৃতিক গ্যাসের উল্লেখযোগ্য একটা অংশ আমরা দেশীয় উৎস থেকে পাই। আমাদের চাহিদা ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুটের। কিন্তু সব মিলিয়ে সরবরাহ করতে পারি ২৭০০ থেকে ২৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। ফলে কিছুটা ঘাটতি তো আছেই। এটা দীর্ঘদিনের সমস্যা।

তিনি বলেন,  আমাদের দুটি এফএসআরইউ থেকে প্রায় ১০০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি গ্যাস পেয়ে থাকি। গতকাল একটাতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। ফলে ডিসরাপশন তৈরি হয়েছে। তাই সিএনজি স্টেশনগুলোতেও লাইন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে, এটা সাময়িক। মেরামতের কাজ চলছে। আশা করছি যে দু’তিন দিনের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ