শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
লায়ন্স ক্লাব অফ ঢাকা প্রটেস্টিং ভয়েজের উদ্যোগে বিনামূল্যে দাঁতের চিকিৎসা সেবা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে মেঘনা ব্যাংকের ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন চুক্তি ব্যস্ত কর্মজীবনে স্বাচ্ছন্দ্য আনবে আল্ট্রা ওয়াইড ওডিসি মনিটর পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে দুই তলা থেকে লাফিয়ে পালাল আসামি দেশে খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি নেই : খাদ্যমন্ত্রী সংসদে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী - মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুব শিগগিরই উন্মুক্ত হবে সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী - তিন বছরে বন্ধ হয়েছে ৪ শতাধিক পোশাক কারখানা কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর আইএফআইসি ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে ৩ হাজার কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট : সরকারের ব্যর্থতা, নাকি সাবোটাস !
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

দেশব্যাপী উৎসে কর কর্তনে নজরদারি জোরদার করেছে এনবিআর

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দেশের বিভিন্ন কর অঞ্চলের বিশেষ টিমের মাধ্যমে উৎসে কর কর্তন-সংক্রান্ত বিধিপালন (উইথহোল্ডিং ট্যাক্স কমপ্লায়েন্স) পর্যবেক্ষণ ও যাচাই কার্যক্রম জোরদার করেছে।

রোববার (১৯ জুলাই) জারি করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭ ধারায় কর কর্মকর্তাদের দেওয়া ক্ষমতা সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে এনবিআর।

আরও বলা হয়, ১৪৭ ধারা অনুযায়ী কর কর্মকর্তারা কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই যেকোনো বাণিজ্যিক বা অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়, ব্যবসা কেন্দ্র বা অন্যান্য স্থানে প্রবেশ করে পরিদর্শন করতে পারবেন।

এছাড়া তারা হিসাবের খাতা, ভাউচার, ব্যাংক হিসাবের বিবরণী, রসিদ এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম-সংশ্লিষ্ট যেকোনো নথিপত্র পরীক্ষা করতে এবং প্রয়োজন হলে সেগুলো তলব করতে পারবেন।

আইন অনুযায়ী, কর কর্মকর্তারা কম্পিউটার সিস্টেম, ক্লাউড সার্ভার, ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রে সংরক্ষিত তথ্যও দেখতে পারবেন। প্রয়োজনে পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন ভেঙে এসব তথ্যে প্রবেশাধিকারও নিতে পারবেন।

উৎসে কর্তন করা করের তথ্য সঠিক কি না, তা যাচাই করতে কর্মকর্তারা হিসাবের খাতা, নথিপত্র, ইলেকট্রনিক রেকর্ড বা যন্ত্রপাতি সাময়িকভাবে জব্দ করে নিজেদের হেফাজতে রাখতে পারবেন।

প্রয়োজনে তারা নথিপত্র, ছবি বা হিসাব-সংক্রান্ত তথ্যের অনুলিপি সংগ্রহ করতে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পরিচিতিমূলক চিহ্ন বা সরকারি সিলও ব্যবহার করতে পারবেন।

এনবিআর জানায়, আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭(২) ধারা অনুযায়ী রাজস্ব আহরণ-সংক্রান্ত এসব কার্যক্রম পরিচালনার সময় কর কর্মকর্তাদের কাজে বাধা দেওয়া বা সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।

রাজস্ব বোর্ড করদাতাদের উৎসে কর্তন করা কর সংশ্লিষ্ট আইনি ধারা এবং সঠিক অর্থনৈতিক কোড উল্লেখ করে ই-চালান ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

ধারা ১৪৭ এর প্রয়োগ সংক্রান্ত যে কোন অস্পষ্টতা, জটিলতা, হয়রানি কিংবা সংক্ষুব্ধতায় সরাসরি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ১৪৭ ধারা সংক্রান্ত কমিটির সদস্য সচিব বরাবর ই-মেইল (assistance147nbr@gmail.com) এর মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য করদাতাগণকে পরামর্শ দেওয়া হল।

এনবিআর আরও জানায়, ১৪৭ ধারা বাস্তবায়ন নিয়ে কোনো ধরনের অস্পষ্টতা, জটিলতা, হয়রানির অভিযোগ বা অন্য কোনো অভিযোগ থাকলে করদাতারা (assistance147nbr@gmail.com) ই-মেইল ঠিকানায় এনবিআরের ১৪৭ ধারা-সংক্রান্ত কমিটির সদস্য সচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ