ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা সদরের একটি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ফুটবল অনুশীলন শেষে ইজিবাইকে বাড়ি ফেরার সময় ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরী ফুটবলারকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাহমুদুল হাসান (৩৬) নামে এক ইজিবাইকচালককে কিশোরীর সতীর্থদের সহায়তায় ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।
রোববার(০৬ সেপ্টম্বর) রাতে নান্দাইল সদর থেকে ওই নারী ফুটবলার ও তার সতীর্থ খেলোয়াড়েরা মাহমুদুলকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। তিনি উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের মাদারীনগর গ্রামের শামছুল ইসলামের ছেলে।
এ ঘটনায় কিশোরী ফুটবলারের বড় ভাই বাদী হয়ে রোববার রাতে নান্দাইল মডেল থানায় ধর্ষণচেষ্টার মামলা করেন।
সোমবার (০৭ সেপ্টম্বর)সকালে মাহমুদুলকে ময়মনসিংহের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ১ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৭টার দিকে নান্দাইল একটি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ফুটবল অনুশীলন শেষে ইজিবাইকে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। শেরপুর ইউনিয়নের দুর্বাকান্দা ব্রিজের কাছে গেলে চালক মাহমুদুল ইজিবাইক থামিয়ে তাকে জোরপূর্বক জড়িয়ে ধরেন এবং শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
এ সময় ওই ফুটবলার ধস্তাধস্তি করে চিৎকার করলে মাহমুদুল তাকে কাউকে কিছু না বলার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যান। পরে রোববার রাতে নান্দাইল সদরে মাহমুদুলকে দেখতে পেয়ে সতীর্থ খেলোয়াড়দের নিয়ে তাঁকে আটক করে পুলিশে দেন ওই নারী ফুটবলার।
এ বিষয়ে নান্দাইল মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, নারী ফুটবলারকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাহমুদুলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাঁকে সোমবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে।