শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
প্রজ্ঞাপন জারি - ভূমি প্রশাসনে বড় রদবদল: ৩৬ সহকারী কমিশনারকে বদলি সালমান শাহ স্মরণে তিন দিনব্যাপী উন্মুক্ত চলচ্চিত্র প্রদর্শনী রফতানি বহুমুখীকরণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্কিমে এসবিএসি ব্যাংকের অংশগ্রহণ ১০ দিন পর নেপালের সুড়ঙ্গ থেকে চীনা নাগরিক জীবিত উদ্ধার জাতিসংঘে নতুন বাংলাদেশের বার্তা নিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মিয়ানমারে পাচারকালে ৫৯৫ বস্তা সিমেন্টসহ ১২ পাচারকারী আটক গার্ড অব অনার ও পুষ্পস্তবক অর্পণে নূর মোহাম্মদ শেখেরকে বিজিবির শ্রদ্ধা প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতিচর্চা অব্যাহত রাখার আহবান প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রীর উত্তর ঢাকা বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে আদালত থেকে পালানো আসামি গ্রেপ্তার
advertisement
সারাদেশ

পাওনা টাকা আদায়ে অটোরিকশাচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পাওনা টাকা আদায়ে এক অটোরিকশাচালককে তুলে নিয়ে দুই দিন শিকলে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয়।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার চরমজিদ ভূঁইয়ারহাট এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

ভুক্তভোগী মো. রিপন ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি সুবর্ণচর উপজেলার চরমজিদ ভূঁইয়ারহাট এলাকায় বসবাস করেন। অভিযুক্ত আবুল কাশেম ওরফে কেদা কাশেম একই এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে রিপন ও কাশেম যৌথভাবে ছাগলের ব্যবসা করতেন। একপর্যায়ে রিপনের কাছে কাশেমের প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা পাওনা হয়। বর্তমানে রিপন নোয়াখালী সদর উপজেলায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। অভিযোগ রয়েছে, এক বছর ধরে পাওনা টাকা পরিশোধ না করায় কাশেম তাকে সদর উপজেলা থেকে তুলে নিয়ে সুবর্ণচরের ভূঁইয়ারহাট এলাকার একটি বাড়িতে আটকে রাখেন। সেখানে তার পায়ে শিকল বেঁধে দুই দিন ধরে নির্যাতন করা হয় এবং অর্ধাহারে-অনাহারে রাখা হয় বলে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন।

ভুক্তভোগীর স্বজনদের দাবি, রিপনকে খুঁজতে গিয়ে স্থানীয় আরও দুই যুবকও অভিযুক্তদের হাতে আটক হন। পরে প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় ছাত্রদল নেতাদের সহযোগিতায় তাদেরও উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত আবুল কাশেম ওরফে কেদা কাশেমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হাসান বলেন, ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য তাকে তুলে নিয়ে শিকলে বেঁধে আটকে রাখা হয়েছিল। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ