সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী - জ্বালানি তেল পাচার রোধ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই মূল্য সমন্বয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শান্তি দিবস-২০২৬ উদযাপন করল জেএমআই গ্রুপ সাড়ে পাঁচ বছরের মধ্যে ডলারের বিপরীতে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে টাকা জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি - বেনাপোলে ট্রাকপ্রতি ভাড়া বেড়েছে ৪-৫ হাজার টাকা, দ্রব্যমূল্যে প্রভাব পড়ার শঙ্কা মমেক হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড - তদন্ত কমিটির মেয়াদ বাড়লো আরও ৫ দিন আন্তর্জাতিক বাজারে ওয়ালটনের মতো দেশীয় ব্র্যান্ডকে আরও তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রদূত গ্যালাক্সি এ৩৭ ৫জি ও গ্যালাক্সি এ৫৭ ৫জি-তে স্যামসাংয়ের ক্যাশব্যাক অফার নান্দাইলে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন দেশের এসইউভি বাজারে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করলো দীপাল এস০৫ পিএইচইভি রেফ্রিজারেটরের যে যত্নগুলো নেয়া প্রয়োজন
advertisement
কর্পোরেট

ইন্দো-বাংলাদেশ এগ্রি মেকানাইজেশন সামিটের প্রস্তুতি সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের কৃষি খাতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এখন আমাদের কৃষি পণ্য উৎপাদন প্রক্রিয়াজাতকরণ, পরিবহন, সংরক্ষণ এবং ল্যাব টেস্টের ক্ষেত্রে যান্ত্রিকীকরণ এবং আধুনিক প্রযুক্তির বিস্তার ঘটাতে হবে। এমতাবস্থায়, কৃষির উৎপাদনশীলতা এবং চাষাবাদের ব্যয় কমিয়ে আনতে কৃষকদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।

মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) ‘ইন্দো-বাংলাদেশ এগ্রি মেকানাইজেশন সামিট’ বিষয়ক এক প্রস্তুতি সভায় এসব কথা বলেন এফবিসিসিআই’র সহ-সভাপতি এম এ মোমেন।

তিনি বলেন, ‘কৃষি যন্ত্রাংশ উৎপাদনে শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে একটি হলো ভারত। তাদের দক্ষতা, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন বাংলাদেশের কৃষি যান্ত্রিকীকরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। এ বিষয়ে উভয় দেশের অংশীজনদের পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক জোরদার করার সুযোগ তৈরি করে দেবে ইন্দো-বাংলাদেশ এগ্রি মেকানাইজেশন সামিট।’

সভায় অংশ নিয়ে এফবিসিসিআই’র সহ-সভাপতি মোঃ আমিন হেলালী বলেন, ‘কৃষি যান্ত্রিকীকরণ এখন বাংলাদেশে একটি বার্নিং ইস্যু। বর্তমানে পোস্ট হার্ভেস্টিং পর্যায়ে যান্ত্রিকীকরণ আরও বেশি জরুরী হয়ে পড়েছে। সময় মত মারাই এবং প্রক্রিয়াকরণ করতে না পাড়ায় জমিতেই অনেক শস্য নষ্ট হয়ে যায়। বাংলাদেশে যারা কৃষি যন্ত্রপাতি তৈরি করছে তাদের জন্য ইন্দো-বাংলাদেশ এগ্রি মেকানাইজেশন সামিট নলেজ শেয়ারিংয়ের একটি বড় ক্ষেত্র হবে

বাংলাদেশে চাষাবাদের সংস্কৃতিকে বিবেচনায় রেখে কাস্টমাইজড এবং ছোট ছোট কৃষিযন্ত্র বাজারে আনতে বিপনণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহবান জানান কৃষি উদ্যোক্তারা। পাশাপাশি কৃষি যন্ত্রপাতির গুণগত মান আরও উন্নয়নের প্রস্তাব তাদের।

এ সময় এফবিসিসিআই’র পরিচালক ড. ফৈরদৌসী বেগম বলেন, ‘আমরা শুধু কৃষি যন্ত্রপাতির ক্রেতা হতে চাই না। আমরা চাই উৎপাদনকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুক। আমাদের কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ি যন্ত্রপাতি তৈরি করুক। তাদের কাছ থেকে আমরা কিভাবে কারিগরী প্রশিক্ষণ পেতে পারি সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা জরুরী।’

সভায় উপস্থিত ছিলেন ট্রাক্টর অ্যান্ড মেকানাইজেশন অ্যাসোসিয়েশনের (টিএমএ) সেক্রেটারি আত্রেয়ী তলাপাত্র। তিনি বলেন, ‘কৃষি যান্ত্রিকীকরণের সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে জয়েন্ট ভেঞ্চার উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে। বীজ বপন থেকে শুরু করে শস্য কর্তন, মারাই, শুকানো, প্রক্রিয়াজাতকরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণসহ কৃষি গবেষণা এবং উদ্ভাবনে এক সাথে কাজ করা যেতে পারে।’

প্রস্তুতি সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই’র পরিচালক এম.জি.আর নাসির মজুমদার, বিজয় কুমার কেজরিওয়াল, মোঃ হাফেজ হারুন, মোঃ নাসের, মাহিন্দ্র অ্যান্ড মাহিন্দ্র লিমিটেডের বাংলাদেশ প্রধান (ফার্ম ইকুয়িপমেন্ট সেক্টর) সৌরভ বিশ্বাসসহ অন্যান্য কৃষি উদ্যোক্তারা

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ