January 14, 2026 - 1:37 am
তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৭৭
Homeসারাদেশ ও রাজনীতিসারাদেশঝিনাইদাহের প্রায় সাড়ে ৭ হাজার হেক্টর ফসলি জমি পানির নিচে

ঝিনাইদাহের প্রায় সাড়ে ৭ হাজার হেক্টর ফসলি জমি পানির নিচে

spot_img


ঝিনাইদাহ জেলা সংবাদদাতা : ঝিনাইদাহ টানা বৃষ্টিতে জেলার ছয়টি উপজেলার প্রায় সাড়ে ৭ হাজার হেক্টর ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বৃষ্টি পানি নিকাশের অপর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় জমিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এতে ফসল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক কৃষক এতো জমিতে নতুন ধান ধান চাপান করতে পারছেন না ফলে পিঁপড়াহা হয়ে পড়েছেন ঝিনাইদাহের কৃষকরা। ঝিনাইদাহ সদর, কোটচাঁদপুর, কালীগঞ্জ, হরিণাকুন্ডা ও শৈলকুপা উপজেলার সবজি ক্ষত, ধানের বীজতলা ও সদ্য রোপণ করা আমন ধান ডুবে গেছে।

ঝিনাইদাহ কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, জেলার ছয়টি উপজেলার ১ থেকে প্রায় ৭ হাজার ৩০০ হেক্টর ফসলি জমি পানির তলিয়ে গেছে।

ঝিনাইদাহ সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের তেতুলতলা, বিষখালী, মহারাজপুরসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে জমিতে এখনো পানি জমে থাকায় নতুন করে ধান রোপণ করতে পারছেন না।

সদর উপজেলার দাদলিয়াজাঙ্গার কৃষক আনিছুর রহমান জানান আমাদের মাঠে ধান বলতে আর কিছু নেই সব পানি নিতে তলিয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন কিছু মানুষ ধান বিলে মাছে মাছ চাষ করতে তাদের জন্য মাঠের ধান খাল দিয়ে বেড় হচ্ছে যা যার মাঠে মাঠ ভরে উঠেছে বেশি।

শৈলকুপার বালিয়াপাড়া চট্টিরামবিল গ্রামের আলমগীর হোসেন জানান আমার ১০ কাঠা মরিচ, দশ কাঠা পটল, পাঁচ কাঠা বেগুন আবাদ ছিল। টানা বৃষ্টির কারণে সব পানির নিচে তলিয়ে আছে। পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে গাছগুলো মরে যাবে। আমি এ ক্ষতি কীভাবে পুরিয়ে উঠব বুঝ পারছি না।

কালীগঞ্জ উপজেলার তেতুলবাড়ীয়া গ্রামের কৃষক জাহিদ হাসান জানান আমার ১০ কাঠা মরিচ ও ১০ কাঠা পটল পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি সরার সাথে সাথেই গাছগুলো মরে থাকবে। কোটচাঁদপুর উপজেলার গুড়গুড়িয়া এলাকার কৃষক শাহাজান আলী জানান গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে আমার এক বিঘা জমির ধান পানিতে ডুবে আছে কম বেশি সব কৃষকের ক্ষতি হয়েছে। আমরা আগো বাড়ী ঘরে তুলতেও পারি কি না জানি না।

মেহেরপুর উপজেলার জলিলপুর গ্রামের মিজানুর রহমান জানান আমার চার বিঘা জমির ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। আবারও নতুন করে ধানের চারা রোপণ করতে হবে। কিন্তু ধানের চারা পাব কোথায়।

ঝিনাইদাহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ষ্টিফি চন্দ্র ব্যান বলেন কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনের সহযোগতায় বাঁধ অপসারণের কাজ চলছে। বেশ কিছু জায়গায় সমস্যা সমাধান করা হয়েছে, বাকী অংশে কাজ চলছে। যেখানে যেখানে বাঁধের কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে ইতিমধ্যে সেখানে অপসারণ কাজ হয়েছে। বাকী সব বাঁধ এখনো অপসারণ করা হয়নি সেগুলোর অপসারণের চেষ্টা করা যাচ্ছে।


এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ

সালমান শাহ হত্যা: সামীরাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২২ ফেব্রুয়ারি

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহকে পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী...

সাতক্ষীরায় বাসের ধাক্কায় নিহত ১

শহীদুজ্জামান শিমুল, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নাজমুল হাসান রানা নামে একজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে...

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকে ‘জেনারেল ব্যাংকিং ম্যানেজমেন্ট’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্ভোধন

কর্পোরেট ডেস্ক: আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক এ ‘জেনারেল ব্যাংকিং ম্যানেজমেন্ট’ শীর্ষক ৩দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা ব্যাংকের ট্রেইনিং ইনষ্টিটিউটে শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারী) ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা...

১ কোটি লিটার সয়াবিন, ৪০ হাজার টন সার কিনবে সরকার

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক: দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে ১ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল এবং ৪০ হাজার মেট্রিক টন সার সংগ্রহের পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার...

বাংলাদেশের অবস্থান বদলাতে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

স্পোর্টস ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিরাপত্তা ও সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নিয়ে...

সূচকের মিশ্রাবস্থায় বেড়েছে লেনদেন

পুঁজিবাজার ডেস্ক: সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের মিশ্রাবস্থায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ার দর ও...

গণভোট নিয়ে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর আলোকে সংবিধান সংস্কারের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই ঐতিহাসিক গণভোট নিয়ে...