বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
মিয়ানমারে পাচার হচ্ছিল ১ হাজার ৩৬০ বস্তা সিমেন্ট, গ্রেপ্তার ৩ শার্শায় ৩ ঘণ্টার মধ্যে অপহৃত উদ্ধার, অপহরণকারী আটক হাম ও ‎হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু চাকরি গেল বিপ্লব কুমার-গোলাম রুহানীসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার ১৬ বছরের সমস্যা ৫-৬ মাসে শতভাগ সমাধান সম্ভব নয় : মাহ্দী আমিন লবণ বোঝাই বলগেট ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু আইএফআইসি ব্যাংকের ঢাকা অঞ্চলের অর্ধ-বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত আইসিএমএবিতে পরিবেশ-সামাজিক ও সুশাসন চর্চা কেন্দ্রের উদ্বোধন এসএসসিতে অকৃতকার্য, দুইদিন পর পুকুর থেকে শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ২ লাখ ৫০ হাজার র‍্যানসমওয়্যার হামলা ঠেকিয়েছে ক্যাসপারস্কি
advertisement
আন্তর্জাতিক

ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন জাগো’র প্রতিষ্ঠাতা রাখসান্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : এশিয়ার নোবেলখ্যাত র‌্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেয়েছেন জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করভি রাখসান্দ। ২০২৩ সালে ‘ইমার্জেন্ট লিডারশিপ ক্যাটাগরি’তে এই পুরস্কারে ভূষিত করেছে র‌্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন।

বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) র‍্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটে এবারের পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে করভি রাখসান্দসহ চারজনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।

এশিয়ায় দারিদ্র্য বিমোচন ও সমাজ উন্নয়নে অসাধারণ অবদান রাখা ব্যক্তিদের প্রতিবছর এই পুরস্কার দেয়া হয়।

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষায় অবদান রাখায় করভি রাকসান্দকে ম্যাগসাইসাই পুরস্কার দেয়া হয়েছে। এশিয়ার নোবেলখ্যাত এই পুরস্কার পাওয়া অপর তিনজন হলেন- ভারতের রবি কানন আর, ফিলিপাইনের মরিয়ম করোনেল-ফেরার এবং তিমুরের ইউগেনিও লেমোস।

পুরস্কারটি দেয়া হয় ফিলিপিন্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট র‍্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের নামে। ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ মর্মান্তিক এক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন তিনি। ১৯৫৮ সাল থেকে তার নামে প্রতিষ্ঠিত র‌্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন থেকে এ পুরস্কার দেয়া শুরু হয়।

সংস্থাটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করভি রাখসান্দ তার ছয় বন্ধুকে নিয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ শুরু করেন। আর ২০০৭ সালে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান জাগো ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন তারা।

ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটে আরও বলা হয়েছে, প্রথমে খুব ছোট পরিসরে যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে জাগো ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। যেটি মূলত শিক্ষা নিয়ে কাজ করে। তারা নিজস্ব ১১টি গতানুগতিক ও অনলাইন স্কুলের মাধ্যমে ১০টি জেলায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে সরকার-স্বীকৃত ইংরেজি ভাষার প্রাথমিক ও উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা করে থাকে। র‌্যামন ম্যাগসাইসাই-এর বোর্ড অব ট্রাস্টিস তার এই কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পুরস্কারটি দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, সমাজ উন্নয়নে অসাধারণ অবদান রাখার জন্য করভি রাখসান্দ এর আগেও নানা আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন।

তিনি এইচআরএইচ প্রিন্স অব ওয়েলস থেকে আন্তর্জাতিক বিভাগে মোজাইক ট্যালেন্ট অ্যাওয়ার্ড, ২০১০ সালে প্রিন্স চার্লস, ২০১৩ সালে কমনওয়েলথ যুব পুরস্কার, ২০১৭ সালে সোসাইটি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের অ্যান্ড্রু ই. রাইস অনারেবল মেনশন অ্যাওয়ার্ড এবং ২০২১ সালে যুক্তরাজ্যে কমনওয়েলথ পয়েন্ট অব লাইট পুরস্কার পান। এছাড়াও, সামাজিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২২ সালে পান ‘শেখ হাসিনা ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড’।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ