বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের পাওয়ার্ড বাই স্পন্সর ওয়ালটন ফ্যান করপোরেট গভর্ন্যান্স অডিটে অস্বাস্থ্যকর ফি প্রতিযোগিতা - ফি নির্ধারণে নীতিমালা জরুরি, কম ফি নয়-মানসম্মত নিরীক্ষাই হোক প্রতিযোগিতার ভিত্তি একনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরসহ রেডমি ১৭ ফাইভজি উন্মোচন করল শাওমি পুঁজিবাজারে বন্ধ বিও হিসাব চালুর সিদ্ধান্তকে বিএসইসিকে ধন্যবাদ জানাল ডিবিএ ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘মুক্ত পে’ চালু করল বাংলালিংক সিরাজগঞ্জে ১০৩টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার ইসলামী ব্যাংকের ৩টি নতুন বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব উদ্বোধন বাংলাদেশ ব্যাংক ও সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর
advertisement
খেলাধুলা

শান্ত-মিরাজের জোড়া সেঞ্চুরিতে ৩৩৪ এ দাঁড়ালো বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক: বাঁচা-মরার ম্যাচে জেতার বিকল্প নেই বাংলাদেশের সামনে। টসে জিতে ব্যাটিং নেয়ার পর মেহেদী হাসান মিরাজকে ওপেনিংয়ে পাঠিয়ে চমকে দিয়েছিল বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে বাংলাদেশের বড় পুঁজি নিশ্চিত করেছেন মিরাজ। সেঞ্চুরি পেয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্তও। দুজনের ১৯৪ রানের জুটিতে ভড় করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৩৪ রান।

তিন পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামা বাংলাদেশকে এদিন দারুণ শুরু এনে দেন মিরাজ ও নাইম শেখ। নাইম এদিন শুরু থেকেই আফগানিস্তানের বোলারদের তুলোধোনা করেন। তার ব্যাটে ভর করেই ৭.৫ ওভারেই ৫০ রান তুলে নেয় বাংলাদেশ। যদিও পাওয়ার প্লের শেষ বলে নাইমকে ব্যক্তিগত ২৮ রানে বোল্ড করে ফিরিয়েছেন মুজিব উর রহমান।

এরপর থিতু হতে পারেননি ওয়ান ডাউনে প্রমোশন পাওয়া তাওহীদ হৃদয়। তিনি আউট হয়েছেন কোনো রান করার আগেই। গুলবাদিন নাইবের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে তিনি ক্যাচ দিয়েছেন স্লিপে। নাইবের বলে অফ সাইডে ড্রাইভ খেলতে চেয়েছিলেন হৃদয়। তবে তা ব্যাটের কানায় লেগে চলে যায় ফার্স্ট স্লিপে। সেখানে এক হাতে ডাইভ দিয়ে দারুণ ক্যাচ নিয়েছেন ইব্রাহীম জাদরান।

দ্রুত দুই উইকেট হারালেও তৃতীয় উইকেটে দারুণ এক জুটি গড়েন মিরাজ ও নাজমুল হোসেন শান্ত। তাদের ব্যাটে ভর করেই দলীয় ১০০ পার হয় বাংলাদেশের। সেই সঙ্গে জুটিরও হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন তারা। শান্তকে সঙ্গে নিয়ে ৬৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন মিরাজ।

১১৭ বলে মিরাজ-শান্ত জুটির সেঞ্চুরি পূরণ হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ পেরিয়ে যায় দেড়শ রানের গণ্ডিও। খানিক বাদে শান্ত হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ৫৭ বলে। ফজলহক ফারুকির লেংথ বলে স্কয়ার দিয়ে পুল করে ছক্কা মেরে হাফ সেঞ্চুরিতে পৌছেছেন শান্ত।

ব্যক্তিগত ৮৪ রানে গুলবাদিন নাইবের বলে লং অফে ক্যাচ দিয়েছেন শান্ত। তবে সেই ক্যাচ লুফে নিতে পারেননি সেখানে দাঁড়ানো মুজিব উর রহমান। সেই ওভারেই মিরাজের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে অল্পের জন্য রান আউটের ধাক্কা থেকেও বেঁচে যান শান্ত।

করিম জানাতের বলে আম্পায়ার্স কলের কারণে একবার নিশ্চিত এলবিডব্লিউ থেকেও বেঁচে গেছেন শান্ত। এর খানিক বাদেই ১১৫ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন মিরাজ। অবশ্য সেঞ্চুরির পর ক্র্যাম্পের কারণে ১১২ রানে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন মিরাজ। এর ফলে শান্ত-মিরাজের জুটি থামে ১৯২ রানে। এরপর মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে নিজের সেঞ্চুরি পূরণ করেন শান্ত। তিন অঙ্কে পৌঁছাতে শান্তর খেলতে হয়েছে ১০১ বল। ১০৪ রানে রান আউট হয়ে শান্তর ইনিংসের সমাপ্তি হয়েছে।

মুজিবের বলে রিভার্স সুইপ করে পয়েন্টে বল পাঠিয়েই দৌড় দিয়েছিলেন শান্ত। কিন্তু খানিক বাদেই তিনি বুঝরে পারেন বল চলে গেছে পয়েন্টে থাকা ফিল্ডারের হাতে। এরপর ভুল সুধরে নিয়ে ক্রিজে ফিরতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যান শান্ত। এরই মধ্যে বল হাতে পেয়ে স্টাম্প ভেঙে দেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ। ফলে ফিরতে হয় শান্তকে। তাঁর ইনিংস জুড়ে ছিল ২টি ছক্কা ও ৯টি চারের মার। ২৫ রান করে রান আউট হয়েছেন মুশফিকুর রহিমও।

এরপর উইকেটে এসে ওয়ানডেতে খেলা নিজের প্রথম বলেই নাইবকে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ দিয়ে উড়িয়ে ছক্কা মারেন শামীম পাটোয়ারি। তিনিও রান আউট হয়েছেন ৬ বলে ১১ রান করে। সাকিব শেষ পর্যন্ত ৩২ রানে অপরাজিত থেকে বাংলাদেশের বড় সংগ্রহ নিশ্চিত করেছেন।

কর্পোরেট সংবাদ/এএইচ

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ