বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের পাওয়ার্ড বাই স্পন্সর ওয়ালটন ফ্যান করপোরেট গভর্ন্যান্স অডিটে অস্বাস্থ্যকর ফি প্রতিযোগিতা - ফি নির্ধারণে নীতিমালা জরুরি, কম ফি নয়-মানসম্মত নিরীক্ষাই হোক প্রতিযোগিতার ভিত্তি একনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরসহ রেডমি ১৭ ফাইভজি উন্মোচন করল শাওমি পুঁজিবাজারে বন্ধ বিও হিসাব চালুর সিদ্ধান্তকে বিএসইসিকে ধন্যবাদ জানাল ডিবিএ ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘মুক্ত পে’ চালু করল বাংলালিংক সিরাজগঞ্জে ১০৩টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার ইসলামী ব্যাংকের ৩টি নতুন বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব উদ্বোধন বাংলাদেশ ব্যাংক ও সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর
advertisement
খেলাধুলা

ওয়ানডে অধিনায়কের নাম ঘোষনা

স্পোর্টস ডেস্ক: টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আগেই থেকেই অধিনায়কত্ব পালন করছেন, এবার ওয়ানডেতে লাল-সবুজের নেতৃত্বভার পেলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। রহস্যময় ইনজুরি ও নানান নাটকীয়তার পর তামিম ইকবাল সরে দাঁড়ানোয় সাকিবকে আসন্ন এশিয়া কাপ ও ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য অধিনায়ক হিসেবে নিযুক্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়ানডে অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডারকে। আর আগে থেকেই টেস্ট ও টি-টোয়েন্টির নেতৃত্বে আছেন তিনি। 

তামিম নেতৃত্ব ছাড়ার এক সপ্তাহ পরেই নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা করল বিসিবি।অভিজ্ঞতায়ই সাকিবের ওপর আস্থা রেখেছে বোর্ড। 

২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে মাশরাফি বিন মর্তুজার সহ-অধিনায়ক ছিলেন সাকিব। প্রথম টেস্টে মাশরাফি ইনজুরিতে পড়ায় সাকিবকে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক করা হয়। সেটাই ছিল নেতা সাকিবের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। সেখানে নিজেকে প্রমাণ করায় পরের সিরিজেই তাকে ভারমুক্ত করে আনুষ্ঠানিকভাবে নেতৃত্ব দেয় বিসিবি।   

প্রথম দফায় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রায় দুই বছর। ২০১১ সালে জিম্বাবুয়ে সফরের পর অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয় এই অলরাউন্ডারকে। এর ৬ বছর পর ২০১৭ সালে মাশরাফি বিন মর্তুজা টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরে গেলে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট দিয়ে আবারও নেতৃত্বে ফেরেন সাকিব। একই বছরে মুশফিকুর রহিমের কাছ থেকে দ্বিতীয়বারের মতো সাদা পোশাকের অধিনায়কের দায়িত্বও পান তিনি। এরপর ২০১৯ সালে আইসিসি কতৃক একই বছরের নিষেধাজ্ঞায় পড়ে দ্বিতীয় দফায় নেতৃত্ব হারান তিনি। 

এরপর ২০২২ সালের জুনে টেস্ট ক্রিকেট দিয়ে আবারও দলের নেতৃত্বে ফেরেন সাকিব। মাস কয়কে পরেই টি-টোয়েন্টির নেতৃত্বও পান তিনি। এবার পেলেন ওয়ানডের অধিনায়কত্ব। তাতে প্রায় এক যুগ পর আবারও তিন ফরম্যাটে সাকিবের নেতৃত্বে খেলবে বাংলাদেশ। 

সাদা পোশাকে তিন দফায় ১৯ ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাকিব। যেখানে ৪ জয়ের বিপরীতে ১৫ টেস্টে হেরেছে টাইগাররা। ওয়ানডেতে দুই দফায় ৫০ ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে অধিনায়কত্ব করেছেন সাকিব। যেখানে ২৩ জয়ের বিপরীতে ২৬ হার। বাকি একটি ম্যাচে কোনো ফলাফল আসেনি। আর টি-টোয়েন্টিতে তিন দফায় সাকিবের নেতৃত্বে ৩৯ বার মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। যেখানে ২৩ হারের বিপরীতে ১৬ বার হাসি মুখে মাঠ ছেড়েছে টাইগাররা। 

কর্পোরেট সংবাদ/এএইচ

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ