শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
1st Quarter Financial Statements of Shinepukur Ceramics Ltd. নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য - প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন অভিনেতা শিবা শানু হ্যান্ডহেল্ড গার্মেন্ট স্টিমারসহ নতুন পার্সোনাল কেয়ার ডিভাইস আনল শাওমি ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৮৬ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষ্যে এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামে পেশেন্ট ফোরাম ব্যাংকিং খাতে প্রথম ওয়েবভিত্তিক ইন্টারেক্টিভ সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট প্রকাশ করল ইউসিবি ময়মনসিংহে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে ৭ প্রাণহানি, পলাতক সেই বাসচালক গ্রেফতার আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ৪৭১তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত ইয়াবা গায়েবের অভিযোগ, সাতকানিয়া থানার ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
advertisement
খেলাধুলা

হোয়াইটওয়াশ লজ্জা বাংলাদেশের

তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হোয়াইটওয়াশ হলো স্বাগতিক বাংলাদেশ। রোববার (২১ জুন) সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটারদের চরম ব্যর্থতায় অসিদের কাছে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরেছে টাইগাররা।

এর আগে প্রথম দুই ম্যাচে বাংলাদেশ যথাক্রমে ৪ উইকেট ও ৭ রানে পরাজিত হয়েছিল। তবে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভরাডুবি হলেও, এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ।

এই নিয়ে নিজেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে অষ্টমবারের মতো তিন ম্যাচের দ্বিপাক্ষিক সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হলো বাংলাদেশ। এর আগে নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানের কাছে দুবার করে এবং আফগানিস্তান, ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে একবার করে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল টাইগাররা।

চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়। তবে শুরুতেই অসি বোলারদের তোপে পড়ে স্বাগতিকরা। ৫ ওভারের মধ্যে মাত্র ১১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে দলটি। ওপেনার তানজিদ হাসান (৫), সাইফ হাসান (১) এবং তিনে নামা পারভেজ হোসেন ইমন (১) দ্রুত সাজঘরে ফেরেন।

চতুর্থ উইকেটে তাওহিদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহান প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে দলীয় ৩৪ রানে নুরুলের (৬) বিদায়ে ভাঙে এই জুটি। এরপর শামীম হোসেন (০) ও নাসুম আহমেদ (০) দ্রুত আউট হলে ৩৬ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ। এক পর্যায়ে দলের রান ১০০ রানের নিচে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়।

তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়। রিশাদ হোসেনের (১৬) সঙ্গে ২৬ এবং শরিফুলের (৭) সঙ্গে ২১ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন তিনি। শেষদিকে তাসকিন আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে অবিচ্ছিন্ন ২৩ রানের জুটি গড়ে দলের রান ১০০ পার করেন হৃদয়। ৪১ বলে ক্যারিয়ারের সপ্তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া হৃদয় ৫১ বলে ৩টি করে চার ও ছক্কায় ৬১ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ১০৯ রান। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে জনসন, এলিস ও জাম্পা দুটি করে উইকেট নেন।

১১০ রানের মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল অস্ট্রেলিয়া। পাওয়ার প্লেতে তারা তোলে ৫৪ রান। দলীয় ৫৪ রানে জশ ইংলিশ (১৭) নাসুম আহমেদের শিকারে পরিণত হলেও অসিদের জয়ের পথে কোনো বাধা তৈরি করতে পারেনি বাংলাদেশ। অধিনায়ক মিচেল মার্শ মাত্র ২৩ বলে ফিফটি তুলে নেন। ২৮ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কায় ৬০ রান করা মার্শকে শরিফুল ইসলাম আউট করলেও ততক্ষণে ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছে টাইগাররা।

এরপর কুপার কনোলিকে (১৫) রিশাদ হোসেন সাজঘরে ফেরান। ১০০ রানে ৩ উইকেট পতনের পর ম্যাট রেনশ (৬*) ও টিম ডেভিড (১২*) জয়ের বাকি আনুষ্ঠানিকতা সারেন। ৯ ওভার হাতে রেখেই ৭ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া।

ম্যাচ সেরা হয়েছেন মিচেল মার্শ এবং সিরিজ সেরার স্বীকৃতি পেয়েছেন ম্যাট রেনশ।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ