শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
1st Quarter Financial Statements of Shinepukur Ceramics Ltd. নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য - প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন অভিনেতা শিবা শানু হ্যান্ডহেল্ড গার্মেন্ট স্টিমারসহ নতুন পার্সোনাল কেয়ার ডিভাইস আনল শাওমি ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৮৬ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষ্যে এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামে পেশেন্ট ফোরাম ব্যাংকিং খাতে প্রথম ওয়েবভিত্তিক ইন্টারেক্টিভ সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট প্রকাশ করল ইউসিবি ময়মনসিংহে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে ৭ প্রাণহানি, পলাতক সেই বাসচালক গ্রেফতার আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ৪৭১তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত ইয়াবা গায়েবের অভিযোগ, সাতকানিয়া থানার ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
advertisement
শেয়ারবাজার

আনোয়ার গ্যালভানাইজিং সম্পর্কে বিস্তারিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিনিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সার্বিক অবস্থা জেনে বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। এজন্য অবশ্যই জানতে হবে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস), শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি), আনুপাতিক হার (পিও রেশিও), কারণ এগুলো একটি কোম্পানির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত ৪০ পর্যন্ত পিও রেশিও স্বাভাবিক ধরা হয়। এর উপরে গেলে অবস্যই সেটি ঝুঁকিপূর্ণ। পিও রেশিও থেকে আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নিট সম্পদমূল্য (এনভি)। এটি যত বেশি বিনিয়োগের জন্য ততই উত্তম।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং কোম্পানির গত ৫ বছরের শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ (এনএভি) হলো ২০১৭ সালে ৮ টাকা ৯২ পয়সা, ২০১৮ সালে ৯ টাকা ৩৪ পয়সা, ২০১৯ সালে ৯ টাকা ৮৪ পয়সা, ২০২০ সালে ১০ টাকা ৮৫ পয়সা এবং ২০২১ সালে ১৩ টাকা ৩১ পয়সা।

পর্যবেক্ষনে দেখা যায়, বিগত ৫ বছরের ভিতরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২০১৭ সালে ১ টাকা ১৪পয়সা, ২০১৮ সালে ১ টাকা ২৪ পয়সা, ২০১৯ সালে ১ টাকা ৫১ পয়সা, ২০২০ সালে ২ টাকা ০৩ পয়সা এবং ২০২১ সালে ৩ টাকা ৯২ পয়সা। ২০২২ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই’-সেপ্টেম্বর’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ০১ পয়সা।

লভ্যাংশ সংক্রান্ত তথ্য পর্যবেক্ষনে দেখা যায়, বিগত ৫ বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের, ২০১৭ সালে ১০ শতাংশ বোনাস, ২০১৮ সালে ১০ শতাংশ নগদ , ২০১৯ সালে ১০ শতাংশ নগত , ২০২০ সালে ১০ শতাংশ নগত ও ৫ শতাংস বোনাস এবং ২০২১ সালে ২০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংস বোনাস লভ্যাংশ প্রদান করেছ ।

গত এক মাসে ডিএসসিতে দর ওঠানামা হয়েছে ২১৩.৩০-২১৩.৩০ টাকা। এক বছরে দর ওঠানামা হয়েছে ২১৩.৩০-৬১৮.০০টাকা। কোম্পানিটির রিজার্ভ ও সারপ্লাস এ আছে ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা; হিসাব বছর ’(জুন-জুলাই)। কোম্পানির হালনাগাত প্রান্তিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে (পিই রেশিও) ৫২.৮ এবং বার্ষিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে (পিই রেশিও) ৫৪.৪১।

কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৬৭ লাখ ৭০ হাজার ৬০০ টি। তাদের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৩৫.৩২ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠনিক বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ২৪.১৬ শতাংশ শেয়ার এবং অবশিষ্ট ৩৯.০৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।

কোম্পানিটি ৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধন নিয়ে ১৯৯৬ সালে দেশের প্রধান শেয়ার বাজারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির বর্তমানে পরিশোধিত মূলধনের পরিমান ১৬ কোটি ৭৭ লাখ ১০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত ’প্রকেীশল’ খাতের এ কোম্পানিটি বর্তমানে ”এ ” ক্যাটাগরিতে অবস্থান করেছে।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ