রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ নির্দেশনা ওয়ালটন হাই-টেকের শক্তিশালী আর্থিক অগ্রগতি - ১৮০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে 'কাস্টমার ফার্স্ট - পেমেন্ট অ্যান্ড সার্ভিস এক্সিলেন্স' শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত জিএসইএ ১১তম আসরের আবেদন শুরু, চ্যাম্পিয়নের জন্য ৫ লাখ টাকার পুরস্কার সরকার গুমের প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করে বিচার শুরু করেছে: প্রধানমন্ত্রী তিলে তিলে নিভছে ১৬ বছরের সাব্বিরের জীবন, ছেলেকে বাঁচাতে দুয়ারে দুয়ারে কাঁদছেন মা প্রেমভিত্তিক নাটক-সিনেমা বন্ধের আইনি নোটিশে নাট্য সংগঠনগুলোর তীব্র প্রতিবাদ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ১ হাজার ৮৫৫ পদে নিয়োগে ছাড়পত্রের মেয়াদ বাড়ল গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের ৭৪ জনকে নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী নেপাল ও চীনে বন্যায় নিহত বেড়ে ৬৩৩, নিখোঁজ ২ হাজার ৫০০
advertisement
শেয়ারবাজার

বিনিয়োগের আগে জেনে নিন প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেড সম্পর্কে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিনিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সার্বিক অবস্থা জেনে বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। এজন্য অবশ্যই জানতে হবে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস), শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি), আনুপাতিক হার (পিও রেশিও)। একটি কোম্পানির পিও রেশিও যত কম হবে বিনিয়োগের জন্য কোম্পানিটি তত উত্তম । কারণ পিও রেশিও না থাকলে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হবে । সাধারণত ৪০ পর্যন্ত পিও রেশিও স্বাভাবিক ধরা হয়। এর উপরে গেলে অবস্যই সেটি ঝুঁকিপূর্ণ । পিও রেশিও থেকে আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নিট সম্পদমূল্য (এনভি) । এটি যত বেশি বিনিয়োগের জন্য ততই উত্তম।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী কোম্পানির গত ৫ বছরের শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ (এনএভি) হলো ২০১৮ সালে ২০ টাকা ৭৮ পয়সা, ২০১৯ সালে ২২ টাকা ১৭ পয়সা, ২০২০সালে ২৪ টাকা ২৬ পয়সা, ২০২১ সালে ২৭ টাকা ২৪ পয়সা এবং ২০২২ সালে ২৯ টাকা ৬০পয়সা।

পর্যবেক্ষনে দেখা যায়, বিগত ৫ বছরের ভিতরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২০১৮ সালে ২ টাকা ১৫ পয়সা, ২০১৯ সালে ৩ টাকা ০৪পয়সা, ২০২০ সালে ৪ টাকা ৪৬ পয়সা, ২০২১ সালে ৪ টাকা ২৭ পয়সা এবং ২০২২ সালে ৪ টাকা ৬৭ পয়সা

জানা যায়, ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম দিকের অবস্থা প্রথম প্রান্তিকে ১ টাকা ৬২পয়সা, দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৩ টাকা ৯৮ পয়সা।

লভ্যাংশ সংক্রান্ত তথ্য পর্যবেক্ষনে দেখা যায়, বিগত ৫ বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের, ২০১৮ সালে ৭ শতাংশ নগদ ৫ শতাংস বোনাস, ২০১৯ সালে ৭ শতাংশ নগদ ৯ শতাংস বোনাস, ২০২০ সালে ১৫ শতাংস নগদ ৫ শতাংস বোনাস, ২০২১ সালে ২০ শতাংশ নগদ ৫ শতাংস বোনাস এবং ২০২২ সালে ১০ শতাংস নগদ লভ্যাংশ প্রদান করেছে।

পর্যবেক্ষনে দেখা যায়, কোম্পানিটি ৫০০ কোটি অনুমোদিত মূলধন নিয়ে ২০১৩ সালে দেশের প্রধান শেয়ার বাজারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয় । কোম্পানিটির বর্তমানে পরিশোধিত মূলধনের পরিমান ১৬২ কোটি ৮৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা ।

কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৬ কোটি ২৮ লাখ ৩৩ হাজার ৫৩২ টি । তাদের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৬০.৯৫ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠনিক বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ৯.৪৫ শতাংশ শেয়ার, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ৪.৩২ শতাংস শেয়ার এবং বাকি শেয়ারের ২৫.২৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।

গত একবছরে কোম্পনিটির দর ওঠানামা হয়েছে ৬৬.৬০-৯৪.৪০ টাকা। এক মাসে দর ওঠানামা হয়েছে ৭৭.০০-৭৭.০০ টাকা। পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত বস্ত্র খাতের এ কোম্পানিটি বর্তমানে এ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করেছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ