রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ নির্দেশনা ওয়ালটন হাই-টেকের শক্তিশালী আর্থিক অগ্রগতি - ১৮০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে 'কাস্টমার ফার্স্ট - পেমেন্ট অ্যান্ড সার্ভিস এক্সিলেন্স' শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত জিএসইএ ১১তম আসরের আবেদন শুরু, চ্যাম্পিয়নের জন্য ৫ লাখ টাকার পুরস্কার সরকার গুমের প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করে বিচার শুরু করেছে: প্রধানমন্ত্রী তিলে তিলে নিভছে ১৬ বছরের সাব্বিরের জীবন, ছেলেকে বাঁচাতে দুয়ারে দুয়ারে কাঁদছেন মা প্রেমভিত্তিক নাটক-সিনেমা বন্ধের আইনি নোটিশে নাট্য সংগঠনগুলোর তীব্র প্রতিবাদ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ১ হাজার ৮৫৫ পদে নিয়োগে ছাড়পত্রের মেয়াদ বাড়ল গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের ৭৪ জনকে নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী নেপাল ও চীনে বন্যায় নিহত বেড়ে ৬৩৩, নিখোঁজ ২ হাজার ৫০০
advertisement
শেয়ারবাজার

যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজারে অধিকাংশ ব্যাংকের শেয়ারে পতন

নিজস্ব প্রতিবেদক : যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক ধসের পরেই বিশ্বের সব পুঁজিবাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এরপরে সপ্তাহের ব্যবধানে দেশটির তিন ব্যাংকে ধস নামে। এই ধস বিশ্ব পুঁজিবাজারে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি করে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (১৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব ব্যাংকের শেয়ারে দরপতন হয়েছে।

এদিন রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট রিপাবলিক ব্যাংকের শেয়ারে বুধবার (১৫ মার্চ) ১৬ শতাংশ পতন হয়েছে। এছাড়া ওয়েস্টার্ন অ্যালায়েন্স ব্যানকর্পের শেয়ারে ৮ শতাংশ এবং জেপি মর্গান অ্যান্ড কোম্পানির ৩.৫ শতাংশ পতন হয়।

এছাড়া প্যাসিফিক ওয়েস্টার্ন ব্যাংকের হোল্ডিং কোম্পানি প্যাসওয়েস্ট ব্যানক্রোপের শেয়ার দর পড়েছে ২৪ শতাংশ। একইসময়ে ব্যাংক অব আমেরিকার দরপতন হয়েছে ৫.৫ শতাংশ।

বুধবার (১৫ মার্চ) লেনদেনের এক পর্যায়ে ক্রেডিট সুইচের ব্যাংকের শেয়ারের দাম প্রায় ৩ শতাংশ কমে যায়। শেয়ারটির দাম কমে দাঁড়ায় ১.৫৬ সুইচ ফ্রা। গত কিছুদিন ধরেই স্বাস্থ্য ভাল যাচ্ছে না ক্রেডিট সুইচের। সর্বশেষ হিসাববছরে ব্যাংকটি ৭.৩ বিলিয়ন সুইচ ফ্রা (প্রায় ৭.৯ বিলিয়ন ডলার) লোকসান করেছে। এটি ২০০৮ সালের পর ব্যাংকটির সবচেয়ে লোকসানের রেকর্ড। ওই সময় বিশ্বঅর্থনৈতিক সঙ্কটে ব্যাংকটি বড় অংকের লোকসানের কবলে পড়েছিল।

এদিন আমেরিকার মাল্টিন্যাশনাল বিনিয়োগ কোম্পানির প্রধান নির্বাহী লরেন্স ফিঙ্ক সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক ব্যাংকিং খাত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। দেশটির মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে যেতে পারে। একইসঙ্গে বাড়তে পারে সুদ হার।

তিনি আর্থিক পরিস্থিতিকে ‘সহজ অর্থের মূল্য’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার আরও বৃদ্ধির প্রত্যাশা করেছিলেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ