শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৫১.৪৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ এ মেয়েরা এগিয়ে এইচএসসিতে ১ বা ২ বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ১ মাসের মধ্যে পরীক্ষার সুযোগ মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠন কার্যক্রম শুরু রোববার : শ্রমমন্ত্রী ১০ বিষয়ে ফেল, ফল জালিয়াতি করে পাস! - শিক্ষার্থীসহ শিক্ষা বোর্ডের ৩ কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা, প্রোগ্রামারদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন গফরগাঁওয়ে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ব্যবসায়ী নিহত,আহত ৩ নরসিংদীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গুলিবিদ্ধ ২ জীবদ্দশায় স্বদেশে ফেরার আকুতি ব্যর্থ - মৃত্যুর পর মর্গে বন্দি ভারতীয় দুই নাগরিকের মরদেহ এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ - কোন বোর্ডে পাসের হার কত দেশের বাজারে কমল স্বর্ণ ও রুপার দাম, ভরি কত?
advertisement
শেয়ারবাজার

পাওয়ার গ্রীডের ৪৮৪ কোটি টাকা আদায়ে নিরীক্ষকের শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রাষ্টায়াত্ত্ব পাওয়ার গ্রীড কোম্পানির বিভিন্ন গ্রাহকের কাছ থেকে পাওনা ৪৮৪ কোটি টাকা আদায় নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন নিরীক্ষক। কোম্পানিটির ২০২১-২২ অর্থবছরের আর্থিক হিসাবে নিরীক্ষক এই শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

নিরীক্ষক জানিয়েছেন, বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে পাওয়ার গ্রীডের পাওনা রয়েছে ৯৬৪.২০ কোটি টাকা। এরমধ্যে বিপিডিবির কাছে ৫১৬.২০ কোটি টাকা, ডিপিডিসির কাছে ১৪৬.০৫ কোটি টাকা, ডেসকোর কাছে ৩৬.২৯ কোটি টাকা, পিবিএসের কাছে ২২১.৯৬ কোটি টাকা, ডব্লিউজেডপিডিসিএলের কাছে ২১.৫০ কোটি টাকা, নেসকোর কাছে ১২.৪২ কোটি টাকা ও ওপিজিডব্লিউ এর কাছে ০.৪০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। এসব গ্রাহকের কাছে পাওনা টাকার পরিমাণ বছরের পর বছর বাড়ছে।

ওই গ্রাহকদের কাছে পাওনা টাকার মধ্যে ৪৮৩.৭২ কোটি টাকা আদায় নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে বিপিডিবির কাছে ৩৮৮.৫৪ কোটি টাকা, ডিপিডিসির কাছে ৯০.৭৮ কোটি টাকা, পিবিএসের কাছে ৪.৩৬ কোটি টাকা ও ডব্লিউজেডপিডিসিএলের কাছে ০.০৪ কোটি টাকা টাকা পাওনা রয়েছে। এসব পাওনার পুরোটা আদায়ের সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করছে নিরীক্ষক।

পাওয়ার গ্রীড কর্তৃপক্ষ আর্থিক হিসাবে ১ হাজার ৩৯১ কোটি ৫৭ লাখ টাকার জমিবাবাদ সম্পদ দেখিয়েছে বলে জানিয়েছেন নিরীক্ষক। এরমধ্যে সর্বশেষ ২০২১-২২ অর্থবছরে ১০৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকার জমি বেড়েছে। কিন্তু বর্ধিত ওই জমির বিষয়ে কোম্পনি কর্তৃপক্ষ সঠিক কোন প্রমাণাদি (প্রকৃত দলিলনামা, বিএস, আরএস, সিএস মিউটেশন, মৌজা ম্যাপ ইত্যাদি) দেয়নি। যাতে করে ওই জমির প্রকৃত মালিক কে, তা নিশ্চিত হতে পারেনি নিরীক্ষক।

উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে ২০০৬ সালে তালিকাভুক্ত হওয়া পাওয়ার গ্রীডের পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৭১২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এরমধ্যে শেয়ারবাজারের বিভিন্ন শ্রেণীর (উদ্যোক্তা/পরিচালক ব্যতিত) বিনিয়োগকারীদদের মালিকানা ২৫ শতাংশ।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ