বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন, কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি : আইনমন্ত্রী বাংলাদেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ফল জালিয়াতির মামলায় পুলিশের চার্জশিটে বড় গরমিল ঢাকায় আইএফআইসি ব্যাংকের আরও ২টি এটিএম বুথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এসবিএসি ব্যাংকে বাংলা কিউআর উদ্বোধনে র‌্যালি দেশে সারের সংকট নেই, চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত মজুত আছে: তথ্য উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ জরিমানা ছাড়া গাড়ির কাগজপত্র নবায়নের শেষ সময় ২৯ অক্টোবর
advertisement
ফটো গ্যালারী

করোনার টিকার ওভারডোজে শেন ওয়ার্নের মৃত্যু!

স্পোর্টস ডেস্ক : শেন ওয়ার্নের মৃত্যু রহস্য এখনও অজানা। থাইল্যান্ডে ছুটি কাটাতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চিরঘুমে চলে যান অস্ট্রেলিয়ান এই স্পিন কিংবদন্তি। ২০২২ সালের ৪ মার্চ গোটা ক্রিকেট দুনিয়াকে কাঁদিয়ে চলে যান সবার প্রিয় ওয়ার্নি। তাঁর এই বিদায়ের ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি ক্রিকেট বিশ্ব। আর এরইমধ্যে সামনে এল চমকে দেওয়া তথ্য।

কোভিডের টিকার ওভারডোজের জন্যই নাকি প্রাণ হারিয়েছেন এই লেগ স্পিনার। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন দুই চিকিৎসক।

তাঁর মৃত্যুর কারণ হিসেবে একটি রিপোর্ট সামনে এল। ভারত বংশোদ্ভূত কার্ডিওলজিস্ট ও অস্ট্রেলিয়ার এক চিকিৎসক ডঃ অসীম মালহোত্রা ও ক্রিস নিলের প্রকাশ করা একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে করোনা টিকার জন্যই মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। অর্থাৎ, তাঁদের রিপোর্টে বলা হয়েছে, করোনা টিকার জন্যই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন ওয়ার্ন।

চিকিৎসক অসীম মালহোত্রা বলেন, “এটা কিছুটা অপ্রত্যাশিত ভাবে শেন ওয়ার্ন মাত্র ৫২ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। কারণ ওয়ার্ন অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করতেন। অতিরিক্ত ওজন ছিল তাঁর ও ধূমপান করতেন তিনি।”

সূত্রের খবর, মৃত্যুর ৯ মাস আগে তিনি করোনা টিকা নিয়েছিলেন। এই টিকা নেওয়ার পরেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে রিপোর্টে প্রকাশ, শুধু করোনা টিকাই হয়ত কারণ নয়, তাঁর জীবনযাত্রাও কারণ। অসীমবাবু জানান, এই টিকা নিয়ে অনেকেরই শরীরে প্রভাব পড়েছে।

অপর চিকিৎসক ক্রিস নিল বলেন, “তথ্য দেখলে, হৃদরোগের যে কারণ তাতে ২০ শতাংশের মৃত্যু হয় ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্যই। যাদের বয়স ৫২-র বেশি তাদের হৃদরোগের সম্ভাবনা বেশি। ফলে এই সময় সতর্ক থাকতে হয়।”

তবে এই রিপোর্টের পক্ষে বা বিপক্ষে কোনও মন্তব্য করা হয়নি ওয়ার্নারের পরিবারের পক্ষ থেকে। মৃত্যুর সময় রিসোর্টের ঘরে একাই ছিলেন তিনি। বন্ধুদের সঙ্গে ছুটি কাটাতে গিয়ে নিজের জন্য আলাদ একটি ঘর নিয়েছিলেন। মাসাজের জন্য কর্মীদের ডেকেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই কর্মীদের প্রবেশের আগেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তাঁর মৃত্যুর পর তদন্ত শুরু করে থাইল্যান্ড সরকার। সেখানকার ফরেনসিক দল নমুনা সংগ্রহ করে। তাঁর ঘরের মেঝে, ব্যবহৃত সমস্ত সরঞ্জাম পরীক্ষা করে দেখা হয়। সেখানে পাওয়া গিয়েছিল রক্তের দাগ।

তদন্তে জানা যায় তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে কী কারণে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন সেটা জানা যায়নি। সমর্থক থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্যরা রহস্যের গন্ধ পেলেও থাইল্যান্ড পুলিশ যাবতীয় রহস্য উড়িয়ে দেয়। তবে কোভিড টিকার ওভারডোজেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন ওয়ার্ন। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে চলে এল। সূত্র-জিনিউজ।

আরও পড়ুন:

গিনেস বুকে রোনালদো

গ্লোবাল টি-টোয়েন্টিতে সাকিব-লিটনদের জার্সি উন্মোচন

বিশ্বকাপের আরও দুই ভেন্যু নিয়ে আপত্তি পাকিস্তানের

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ