বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কৃতী সন্তানদের হাতে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এবার ‘একুশে পদক ২০২৬’ পেলেন যারা- অভিনয় ক্যাটাগরিতে একুশে পদক পেয়েছেন অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার ববিতা। চারুকলায় অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সাত্তার। স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম। সংগীতে মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন আইয়ুব বাচ্চু। নৃত্যে অর্থী আহমেদ এবং পালাগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকারকে এই বিশিষ্ট সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে।
এ ছাড়া সাংবাদিকতায় ‘একুশে পদক ২০২৬’ পেয়েছেন শফিক রেহমান। শিক্ষাক্ষেত্রে অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার এবং ভাস্কর্যে তেজস হালদার জস। সেই সঙ্গে সংগীতাঙ্গনে অবদানের জন্য জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজকে একুশে পদক প্রদান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও মন্ত্রিসভার সদস্যগণ, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত বিশিষ্ট সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একুশে পদক বাংলাদেশের একটি জাতীয় এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে দেশের ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানকারী এবং বিভিন্ন সামাজিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে সম্মানিত করতে ১৯৭৬ সাল থেকে এ পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।
একুশে পদক প্রদানের রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে প্রধানমন্ত্রী ওই দিন বিকেলেই যোগ দেবেন বছরের সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক মিলনমেলা ‘অমর একুশে বইমেলা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।
তিনি সশরীরে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করবেন।