বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শিরোনাম
জাতীয়

গেজেট প্রকাশ:

প্রধানমন্ত্রীর ১০ উপদেষ্টার মধ্যে দপ্তর বণ্টন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ পাওয়া ১০ উপদেষ্টার মধ্যে দপ্তর বণ্টন বণ্টন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
 
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক গেজেটের মাধ্যমে তাদের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়।
 
মন্ত্রী পদমর্যাদায় দায়িত্ব প্রাপ্তরা হলেন-
 
মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক উপদেষ্টা।
 
নজরুল ইসলাম খান, রাজনৈতিক উপদেষ্টা।
 
রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ, রাজনৈতিক উপদেষ্টা।
 
মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও 
 
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
 
এছাড়াও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন-
 
হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
 
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) শামসুল ইসলাম, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। 
 
ডাঃ জাহেদ উর রহমান, পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি।
 
এদিকে মাহদী আমিনকে দেওয়া হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে।
 
এছাড়া রেহান আসিফ আসাদকেদেওয়া হয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে।
 
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রজ্ঞাপনমূলে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় নিয়োগকৃত উপদেষ্টাগণকে প্রধানমন্ত্রীর Rules of Business, 1996-এর rule 3B(ii) অনুযায়ী দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
 
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় এই ১০ জনকে উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। 
 
এর আগে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী এবং ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
 
 
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ২০৯টি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছেন।
 
সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। অপরদিকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে বলে ইসি সূত্র জানায়। 
 
অন্যান্য দলের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীকে ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে। 
 
ইসির তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল ও ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
 
ইসি সচিব জানান, ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও আদালতের নির্দেশনার কারণে চট্টগ্রামের দু’টি আসনের (চট্টগ্রাম ২ ও ৪) ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি। বাকি ২৯৭টি আসনের প্রাপ্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।   
 
 

এই সম্পর্কিত আরো