সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট: প্রধানমন্ত্রী ইতালিতে প্রতি বছর ১০ হাজার বৈধ শ্রমিক যাওয়ার সুযোগ, পরিবারসহ ১২ হাজার: প্রতিমন্ত্রী বিদেশ ভ্রমণে বছরে ১৮ হাজার ডলার নেওয়ার সুযোগ পারিবারিক শান্তির জন্য রাসুল (সাঃ) এর কিছু পরামর্শ ফোবানাকে ব্যক্তি নয়, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান মসজিদ-মন্দিরসহ সব উপাসনালয়ের কর্মীদের সম্মানী-ভাতা দিচ্ছে সরকার প্রাইম ব্যাংকের উদ্যোক্তার শেয়ার হস্তান্তর সম্পন্ন জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে ২০ পরিবারের ৬০ জন নোয়াখালীতে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের এমডি জেলে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানত তুলতে ৭৪ হাজার আবেদন, দাবিকৃত অর্থ ৩,৯২৫ কোটি টাকা
advertisement
জাতীয়

ইতালিতে প্রতি বছর ১০ হাজার বৈধ শ্রমিক যাওয়ার সুযোগ, পরিবারসহ ১২ হাজার: প্রতিমন্ত্রী

প্রতিবছর ১০ হাজার বৈধ শ্রমিক যাওয়ার সুযোগ রয়েছে ইতালিতে, আর পরিবারসহ এই সংখ্যা ১২ হাজার বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তনিও আলেসান্দ্রোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী ও সচিব মো. শহিদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বহুসংখ্যক অবৈধ অভিবাসী আছে ইতালিতে। ইতালিতে অবস্থানরত আড়াই লাখ বাংলাদেশির প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই শরীয়তপুর ও মাদারীপুর অঞ্চলের। সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও ফরিদপুর অঞ্চলে যৌথ ওয়ার্কশপ আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে যারা আছে, তাদের বৈধ করার বিষয়ে আলোচনা হয়নি। আর দালালের মাধ্যমে যারা অবৈধভাবে যাচ্ছে, তাদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নেবে।

মালয়েশিয়ার শ্রমিক নেওয়া বিষয়ে তিনি বলেন, মালোয়েশিয়ার হাইকমিশনারকে ২ লাখ শ্রমিক নেওয়ার বিষয়ে অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৫ সাল থেকে খাদ্য অপচয় রোধ ও ফুড সিকিউরিটিতে কাজ করা ইতালির মিলান শহরের মডেলে  দেশটি বাংলাদেশেও কাজ করতে সম্মত হয়েছে। ইতালির সাথে মিল রেখে এক্ষেত্রে খুলনা সিটি কর্পোরেশনকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, ভাষায় প্রশিক্ষণ এবং পরিবেশগত ব্যবস্থাপনায় পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে একমত হয়েছে দুই দেশ।

বাংলাদেশি স্থপতিদের দক্ষতা বাড়াতে ইতালিতে প্রশিক্ষণের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। নির্দিষ্ট তালিকা পাঠালে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও স্থপতিদের এই সফরে পাঠানো হবে। দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির অংশ হিসেবে বাংলাদেশি কর্মী ও প্রশিক্ষকদের ইতালীয় ভাষা শেখাতে প্রতিনিধি পাঠাবে ইতালি। দেশের যেকোনো একটি ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

বৈঠক শেষে ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তনিও আলেসান্দ্রো সাংবাদিকদের বলেন, আমরা বাণিজ্য, অভিবাসন, দুই দেশের শহরগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক (টুইনশিপ) নিয়ে আলোচনা করেছি। যদিও এটি সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ ছিল, তার পরেও  ইতালি ও বাংলাদেশের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করতে কীভাবে একসাথে কাজ করা যায়, সে বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় স্বাভাবিকভাবেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ, তাই এই ধরনের মন্ত্রণালয়ের সাথে সাক্ষাৎ করতে এবং সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি ও উৎসাহিত করতে ইতালি সবসময়ই আগ্রহী।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ