জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাবেক সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে পৃথক দুই ধারায় ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে দুই ধারায় ১০ লাখ টাকা করে মোট ২০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, একটি ধারার সাজার পরই অন্য ধারার সাজা কার্যকর হবে। একই সঙ্গে তার অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্রাট পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর দুদক সম্রাটের বিরুদ্ধে দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করে। ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর তদন্ত শেষে দুদক সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
গত বছরের ১৭ জুলাই আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে এবং সম্রাটের জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। মামলায় ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয় ২ ফেব্রুয়ারি, এবং যুক্তিতর্কের পর ৯ ফেব্রুয়ারি রায়ের দিন ধার্য করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে কুমিল্লা থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী যুবলীগ নেতা এনামুল হক ওরফে আরমানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ২০২২ সালের ২২ আগস্ট তিনি জামিনে মুক্তি পান।