মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
খুব শিগগির ইরান যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প ঝিনাইদহে তেল পাম্প ভাঙচুর ও বাসে আগুন: - বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৭ নেতা গ্রেফতার বেনাপোল স্থলবন্দরে কোটি টাকার পাট বীজ আটক পাইপলাইনে ভারত থেকে আসছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল উজবেকিস্তানের কাছে বড় হারে এশিয়ান কাপ শেষ বাংলাদেশের নেপালে সফল ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন ভোজ্যতেলের দাম একটুও বাড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী সৌদি আরবে বিমান হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা আজ 'ফ্যামিলি কার্ড' কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ
আইন-আদালত

৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তার চাকরি ফেরত দেয়ার নির্দেশ

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে চাকরিচ্যুত ৮৫ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরি ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। সেই সঙ্গে এই সব কর্মকর্তাকে সকল সুযোগ-সুবিধাও ফেরত দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। একই সঙ্গে যেই তিনজন কর্মকর্তা মারা গেছেন মামলা চলাবস্থায় তাদের পরিবারকেও সুযোগ সুবিধা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

ভুক্তভোগীদের আইনজীবী ব্যারিস্টার সালাহ উদ্দিন দোলন ও ভুক্তভোগীদের আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

গত ২০ ফেব্রুয়ারি পৃথক আবেদনের শুনানি শেষে চাকরিচ্যুত ৮৫ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা পুনর্বহাল হবে কি না, সে বিষয়ে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত। 

২০০৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে ৩২৭ জনকে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে অস্থায়ীভাবে নির্বাচিত করা হয়।  

চার দলীয় জোট সরকারের সময়ের এই নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক ওঠার পর ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ৩২৭ জনের মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে ৮৫ জনকে ওই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর চাকরিচ্যুত করা হয়। এর বিরুদ্ধে চাকরিচ্যুত প্রার্থীরা মামলা করলে ২০০৯ সালের ২৩ মার্চ তা খারিজ করে রায় দেন প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল। এর বিরুদ্ধে তারা আপিল করেন। এই আপিল মঞ্জুর করে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনাল ২০১০ সালের ১২ এপ্রিল আপিল মঞ্জুর করে চাকরিতে পুনর্বহালের পক্ষে রায় দেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক চারটি লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত ২০১০ সালের ২৯ এপ্রিল আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করে বিষয়টি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান।

এর ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালে সরকারপক্ষ পৃথক আপিল করে। ২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর পুনর্বহাল করতে প্রায় এক যুগ আগে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের দেওয়া সিদ্ধান্ত বাতিল করেন আপিল বিভাগ। ফলে তাদের চাকরিতে ফেরত আটকে যায়। পরে ২০২৩ সালে আপিল বিভাগের রায় রিভিউ চেয়ে তারা আবেদন করেন।

এই সম্পর্কিত আরো

খুব শিগগির ইরান যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প

ঝিনাইদহে তেল পাম্প ভাঙচুর ও বাসে আগুন: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৭ নেতা গ্রেফতার

বেনাপোল স্থলবন্দরে কোটি টাকার পাট বীজ আটক

পাইপলাইনে ভারত থেকে আসছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল

উজবেকিস্তানের কাছে বড় হারে এশিয়ান কাপ শেষ বাংলাদেশের

নেপালে সফল ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

ভোজ্যতেলের দাম একটুও বাড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

সৌদি আরবে বিমান হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা

আজ 'ফ্যামিলি কার্ড' কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ