শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
গুলশান-বনানীসহ ৫ লেক রক্ষায় এসটিপি স্থাপন ও সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারতীয় হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন - ভারতে পলাতক আসামিরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে সূচকের  উত্থানে লেনদেন শেষ ইআইআইএলের চেয়ারম্যান ও পরিচালক নিয়োগ নড়াইলে যৌথ অভিযানে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার  ৩ কিশোরগঞ্জে এনআরবিসি ব্যাংকের মাসব্যাপী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ শুরু বাংলাদেশিদের ওয়ার্ক পারমিট ও শ্রম ভিসা বন্ধ করলো লাওস পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১১ কর্মকর্তাকে বদলি মেধাবীদের উৎসাহ ও সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী
advertisement
আইন-আদালত

বেনাপোলে আলোচিত রেশমা হিজড়া হত্যা, ৮ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোলের বহুল আলোচিত রেশমা হিজড়া হত্যা মামলায় আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে এ চার্জমিট জমা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শংকর কুমার বিশ্বাস।

অভিযুক্তরা হলেন-বেনাপোলের কাগজপুকুর গ্রামের ফারুক হোসেন, আল মামুন, শরিফ শেখ, সাগর উদ্দিন, হোসাইন, জাফর হোসেন, টিটু মোড়ল ও আতউল্লাহ। হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় দু’জনের অব্যহতির আবেদন করা হয়েছে চার্জশিটে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের ১১ মার্চ বিকেলে ডিবি পুলিশ জানতে পারে রেশমা হিজড়াকে হত্যা করে মরদেহ গুম করেছে তার পরিচিতরা। রেশমা হিজড়া নিখোঁজের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ডিবি পুলিশ তার বন্ধু ফারুককে আটক করে। পরে তার স্বীকারোক্তিতে কাগজপুকুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানের উত্তর কোনায় পুঁতে রাখা রেশমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের এসআই মফিজুল ইসলাম পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অপরিচিত তিন-চারজনকে আসামি করে বেনাপোল পোর্ট থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, রেশমা ও তার স্বামী পরিচয়দানকারী জাফর একসাথে সীমান্ত এলাকায় মাদকের ব্যবসা করতেন। নিজেদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হলে কথিত স্বামী জাফরকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দিতেন রেশমা। আবার তাকে ছাড়িয়েও আনতেন তিনি। বিষয়টি জানতে পেরে রেশমার ওপর ক্ষিপ্ত হন জাফর। এরইমধ্যে বেনাপোল এলাকার সোহাগের বাড়ি ভাড়া নেন রেশমা। বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে গিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করেন জাফর। এ ঘটনায় আদালতে মামলা করেন রেশমা। ওই মামলায় সাক্ষী করা হয় ফারুককে। কিন্তু ফারুক মামলায় সাক্ষ্য দিতে রাজি না হওয়ায় তাকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিলেন রেশমা। এছাড়া, এলাকার বিভিন্ন লোকজনকে নানাভাবে হয়রানি করতেন তিনি। এরই জের ধরে ঘটনার দিন রাতে কৌশলে রেশমাকে ডেকে এনে মারপিট করে কবরস্থানে নিয়ে যায় আসামিরা। কবরস্থানের পাশে নিয়ে রেশামার মৃত্যু নিশ্চিত করতে জবাই করে তাকে। এরপর রেশমার মরদেহ বস্তাবন্দি করে কবরস্থানে পুঁতে রাখা হয়। এ মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে আটক আসামিদের দেয়া তথ্য ও সাক্ষীদের বক্তব্যে হত্যার সাথে জড়িত থাকায় ওই আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় মফিজুর গাজী মফি ও রুবেলের অব্যহতির আবেদন করা হয়েছে চর্জেিশট। চার্জশিটে অভিযুক্ত পাঁচজনকে পুলিশ আটক ও বাকি তিনজন আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ