শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
গেজেট জারি - ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন তদারকিতে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের ওয়ালটন করপোরেট অফিস পরিদর্শন সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী - ৪ হাজার এসআই, ৪ হাজার সার্জেন্ট ও ১০ হাজার কনস্টেবল পদ সৃজনের পরিকল্পনা রিয়াদের সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ড - প্রথম দফায় দেশে ফিরল ৯ প্রবাসীর মরদেহ এপেক্সের নতুন পরিবেশবান্ধব শপিং ব্যাগ, সাত মাসেই মিশবে মাটিতে আইপিডিসি ফাইন্যান্স ও এবিসি রিয়েল এস্টেটের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত নেপাল - সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত মক্কা প্যাক্টে যোগ দেয়া বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়: জামায়াত আমির
advertisement
আইন-আদালত

মাদারীপুরে পরিকল্পিত খুনের ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর এলাকায় শাহাদাত ঘরামী নামে এক যুবককে পরিকল্পিত খুনের ঘটনায় ৩ জনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক লাইলাতুল ফেরদৌস সোমবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে এই আদেশ প্রদান করেন। এ সময় অভিযুক্তরা পলাতক থাকায় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

মামলার এজাহারে জানাজায়, ২০১৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর রাতে মোটরসাইকেল চালক শাহাদাত ঘরামীকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বড়দুলালী গ্রাম থেকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে খুন করে। নিহত শাহাদাত একজন মোটরসাইকেল চালক। তাকে মোটরসাইকেল ভাড়া নেওয়ার কথা বলে ডেকে নেয় অভিযুক্ত ফজলে, সেন্টু ও মিরাজ। এরপর তারা মাদারীপুরের মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফপুর এলাকার এক নির্জন স্থানে এনে খুন করে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার দুইদিন পরে নিহতের পিতা মোকসেদ ঘরামী মাদারীপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলা চলাকালে আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে।

মোটরসাইকেল চালক শাহাদাতকে খুনের ঘটনার দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তিন অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ এবং প্রত্যেকের পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছে। অভিযুক্ত তিনজনই বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাসিন্দা।
মাদারীপুর জজ কোর্টের পিপি সিদ্দিক সিং ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ এ আদেশে সন্তুষ্ট। আমরা সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে প্রমাণ করতে পেরেছি আসামিরা ভিকটিমকে খুন করেছে। তিনি আরও বলেন, মামলার অন্যতম আসামি ফজলের বিরুদ্ধে পুলিশ তদন্ত করে ছয়টি ডাকাতি ও হত্যা মামলার অস্তিত্ব পায়। এছাড়াও সেন্টু ও মিরাজ নামে দুই আসামি বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত বলে পুলিশ তদন্তে প্রমাণ পেয়েছে।

এদিকে মামলার বাদি শাহাদাতের পিতা মোকসেদ ঘরামী আদালতের আদেশে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, আমরা চাই আদালত দ্রুত আদেশ কার্যকর করুক।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ