শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
গেজেট জারি - ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন তদারকিতে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের ওয়ালটন করপোরেট অফিস পরিদর্শন সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী - ৪ হাজার এসআই, ৪ হাজার সার্জেন্ট ও ১০ হাজার কনস্টেবল পদ সৃজনের পরিকল্পনা রিয়াদের সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ড - প্রথম দফায় দেশে ফিরল ৯ প্রবাসীর মরদেহ এপেক্সের নতুন পরিবেশবান্ধব শপিং ব্যাগ, সাত মাসেই মিশবে মাটিতে আইপিডিসি ফাইন্যান্স ও এবিসি রিয়েল এস্টেটের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত নেপাল - সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত মক্কা প্যাক্টে যোগ দেয়া বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়: জামায়াত আমির
advertisement
আইন-আদালত

সিঙ্গাপুরে এস আলম গ্রুপের বিনিয়োগ অনুসন্ধানের নির্দেশ

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে বিদেশে বিনিয়োগ বা অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগের সত্যতা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের অনুসন্ধান শেষে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রোববার (৬ আগস্ট) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত রুলসহ এই আদেশ দেন।

এর আগে, গত ৪ আগস্ট দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে ‘এস আলমের আলাদিনের চেরাগ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। প্রতিবেদনটি রোববার হাইকোর্টের নজরে আনেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

এরপর বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে রুলসহ আদেশ দেন। আদালত তার রুলে এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়েছেন।

এসময় আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। আর রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুদ্দিন খালেদ।

ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনলে আদালত বলেন, যদি এস আলম অর্থপাচার না করে থাকে তবে সেটা এফিডেভিট আকারে দাখিল করুক।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের বাইরে বিনিয়োগের জন্য এ পর্যন্ত ১৭টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দিলেও চট্টগ্রামভিত্তিক বিশাল এই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নাম সেই তালিকায় নেই। কাগজপত্রে আরও দেখা যায়, গত এক দশকে সিঙ্গাপুরে এস আলম অন্তত দুটি হোটেল, দুটি বাড়ি, একটি বাণিজ্যিক স্পেস এবং অন্যান্য যে সম্পদ কিনেছেন এবং সেখানেও বিভিন্ন উপায়ে কাগজপত্র থেকে তার নাম সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশ থেকে ৪০ দশমিক ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে বিনিয়োগের জন্য নেওয়া হয়েছে। তবে, এই পরিমাণ অর্থ ২০০৯ সালের পর সিঙ্গাপুরে এস আলমের কেবল দুটি হোটেল ও একটি বাণিজ্যিক স্পেস কেনা ৪১১ দশমিক ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের দশ ভাগের এক ভাগ মাত্র।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নথিতে আরও দেখা যায়, এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বৈধ উপায়ে সিঙ্গাপুরে ১ লাখ ৭ হাজার মার্কিন ডলার পাঠিয়েছে, যার মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠানও এস আলমের মালিকানাধীন নয়।

গত ৪ আগস্ট ডেইলি স্টারে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘এস আলম গ্রুপের মালিক মোহাম্মদ সাইফুল আলম সিঙ্গাপুরে কমপক্ষে এক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। যদিও বিদেশে বিনিয়োগ বা অর্থ স্থানান্তরে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে এ সংক্রান্ত কোনো অনুমতি তিনি নেননি। এছাড়া এই প্রতিবেদনে তিন মহাদেশে এদের অর্থ ছড়ানোর কথা বলা হয়েছে।’

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ