বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী পাঠাবে সরকার Price Sensitive Information of Mutual Trust Bank PLC আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন, কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি : আইনমন্ত্রী বাংলাদেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ফল জালিয়াতির মামলায় পুলিশের চার্জশিটে বড় গরমিল ঢাকায় আইএফআইসি ব্যাংকের আরও ২টি এটিএম বুথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
advertisement
আইন-আদালত

চাঁদপুরে অপহরণের পর ‌কিশোরীকে হত্যা: যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০০১ সালে চাঁদপুরের কিশোরী রুমাকে অপহরণপূর্বক নৃশংসভাবে হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী মোঃ বাবুল শেখকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৩)।

বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে র‌্যাব-৩ এর একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাদারীপুর জেলার শিবচর থানাধীন এলাকা হতে মোঃ বাবুল শেখকে (৪০) গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

ধৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, সে এবং ভিকটিম রুমা চাঁদপুর জেলার সদর থানাধীন দক্ষিন বাগাদা গ্রামের বাসিন্দা। ভিকটিম রুমার পরিবারের সাথে ধৃত বাবুলের জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। শত্রæতার জের ধরে ধৃত বাবুল রুমার বাবাকে উচিত শিক্ষা প্রদানের জন্য পরিকল্পনা করে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ০৭/০১/২০০১ তারিখে ধৃত আসামী বাবুল এবং তার আরও দুই জন সহযোগী মিলে ভিকটিম রুমাকে অপরহণ করে। পরবর্তীতে ভিকটিম রুমাকে একটি ঘরে আটকে রেখে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকে। পাশাপাশি বাবুলসহ তার আরও দুই সহযোগী মিলে ভিকটিম রুমাকে একের পর এক গণধর্ষণ করে। একপর্যায়ে রুমা অসুস্থ এবং মৃতপ্রায় হয়ে পড়লে সে বারবার তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য আকুতি মিনতি করতে থাকে। এতে কোন কাজ না হলে একপর্যায়ে ভিকটিম চিৎকার করার চেষ্টা করলে ধৃত বাবুল তার গলা টিপে ধরে এবং অন্যান্য সহযোগীরাও তাকে মারধর করতে থাকে যার ফলে শ্বাসরোধ হয়ে ভিকটিম রুমা মারা যায়। ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তারা ভিকটিমের লাশ রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের পরিবার বাদী হয়ে বাবুলসহ আরও কয়েক জনের নামে চাঁদপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

উক্ত মামলায় বাবুল ২০০১ সালে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার হয়ে ০৫ বছর জেল খেটে ২০০৫ সালে জামিনে মুক্তি পায়। জামিনে মুক্ত হয়ে সে এলাকা ছেড়ে পরিবার নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্থান পরিবর্তন করে বসবাস করতে শুরু করে। এছাড়াও উক্ত মামলার অপর দুই আসামী মামলার পর থেকেই পলাতক রয়েছে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক বাবুল এবং তার আরও ০২ জন সহযোগীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করা হয়। উক্ত ০৩ জন আসামির মধ্যে ধৃত বাবুলকে র‌্যাব-৩ কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পলাতক ০২ জন আসামীকে গ্রেফতারের জন্য র‌্যাবের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ