সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
হাতিয়ায় ফের শ্রেণি কক্ষে অসুস্থ ২১ শিক্ষার্থী শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর সালিশ বৈঠকে যুবককে হত্যা - একজনের যাবজ্জীবন, একজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড ফুডপ্যান্ডায় ইউনিমার্ট থেকে কেনাকাটায় - ঢাকা–ব্যাংকক রাউন্ড ট্রিপের কাপল টিকিট জেতার সুযোগ নোয়াখালীতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার ৬ প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর: ইসি সানাউল্লাহ হামের উপসর্গে আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১২৩২ যমুনায় বাল্কহেড ডুবে দুদিন ধরে নিখোঁজ দুই শ্রমিক বিমা প্রিমিয়াম পরিশোধ সহজ করতে একসঙ্গে কাজ করবে ইউসিবি ও চার্টার্ড লাইফ ইনস্যুরেন্স ত্রিশালে ড্রাম ট্রাক-সিএনজির সংঘর্ষে চালকসহ নিহত ২
advertisement
আইন-আদালত

সালিশ বৈঠকে যুবককে হত্যা

একজনের যাবজ্জীবন, একজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের আলোচিত সাইদুল ইসলাম শাহীন হত্যা মামলার রায়ে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং নূর উদ্দিন ওরফে মো. শমীরকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরও চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নোয়াখালী বিশেষ জজ আদালতের জেলা ও দায়রা জজ মো. শওকত আলী এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় মামলার ছয় আসামিই এজলাসে উপস্থিত ছিলেন।

হাজতি আসামি মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে জেল হাজত থেকে আদালতে হাজির করা হয়। অপর পাঁচ আসামি নূরউদ্দিন ওরফে সমীর, সিরাজ আলম ওরফে সিরাজুল ইসলাম, কাজুলী বেগম, রোকসানা বেগম ও আফরোজা বেগম হাজিরা দাখিল করেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেল কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজ আলমের ছেলে। পাঁচ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নূর উদ্দিন ওরফে শমীর একই ওয়ার্ডের নূর নবীর ছেলে।

রায়ে সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। নূর উদ্দিন ওরফে মো. শমীরকে দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ৩০৭ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সিরাজ আলম ওরফে সিরাজুল ইসলাম, কাজুলী বেগম, রোকসানা বেগম ও আফরোজা বেগমের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ৩২৩/৩০৭/৩০২/৩৪ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৬ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের সলিম উল্লাহর বসতবাড়ির সামনে সীমানার করই গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধের বিষয়ে সালিশি বৈঠক চলাকালে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে মামলার বাদীর ছেলে সাইদুল ইসলাম শাহিনকে গলায় লোহার রড ঢুকিয়ে এবং এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলেই সাইদুল ইসলাম শাহিনের মৃত্যু হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন বিশেষ জজ আদালতের পিপি তাপসকর হোসেন মো.খায়রুল ওয়ালা।

তিনি বলেন, সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিকে সাজা ভোগের জন্য সাজা পরোয়ানামূলে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খালাসপ্রাপ্ত আসামি ও তাদের জামিনদারদের জামিননামার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ