রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
ট্রাম্পের সফরে সিএনএনকে বাদ দিল হোয়াইট হাউস আন্তর্জাতিক জিসিএসই পদার্থবিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞান বিষয়ে ১শ'র বেশি শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিল OxfordAQA যশোরে ট্রেনের ধাক্কায় ইজিবাইকের দুই যাত্রী নিহত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা কিউআর বিষয়ক “গভর্নরের সাথে মতবিনিময়” সভা অনুষ্ঠিত যে আমলে খুব বেশি রিজিক বাড়ে তা কল্পনাও করতে পারবেন না মিরপুরের বড়বাগে আইএফআইসি ব্যাংকের এটিএম বুথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন মিরপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্র লুটপাটের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪ পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী - দায়িত্বে অবহেলা বা ফ্যাসিবাদীদের সহায়তা করলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রিড উপকেন্দ্রে ব্রেকার বিস্ফোরণ, নোয়াখালী শহরে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু
advertisement
জানা-অজানা

মিসরে মিলল ৪ হাজার বছরের সোনায় মোড়ানো মমি


কর্পোরেট ডেস্ক : মিসরের প্রত্নতাত্ত্বিকেরা বলেছেন, একটি কফিনের ভেতর থেকে সোনায় মোড়ানো একটি মানুষের মমির সন্ধান পেয়েছেন তাঁরা। বৃহস্পতিবার মিসরের প্রাচীন এক সমাধি এলাকায় কফিনটি খুঁজে পাওয়া গেছে। কফিনটি ৪ হাজার ৩০০ বছর পর প্রথমবারের মতো খোলা হয়েছে। খবর বিবিসির।

যে ব্যক্তির মমি উদ্ধার হয়েছে, তাঁর নাম হেকাশেপেস। রাজপরিবারের বাইরে এ মমি সবচেয়ে প্রাচীন ও পরিপূর্ণ।

কায়রোর দক্ষিণাঞ্চলের সাকারা সমাধিক্ষেত্রের একটি কবরে মমিবাহী কফিনটি খুঁজে পাওয়া যায়। প্রাচীন এ সমাধিস্থলে বৃহস্পতিবার আরও তিনটি কবরে মমি পাওয়া গেছে।
প্রাচীন এ সমাধিস্থলে সবচেয়ে বড় যে মমি পাওয়া গেছে, তা খুনুমদজেদেফ নামের এক পুরোহিতের।

আরেকটি মমি মেরি নামের এক ব্যক্তির। তিনি ছিলেন রাজপ্রাসাদের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তাঁর উপাধি ছিল ‘সিক্রেট কিপার’। এ উপাধির কারণে তিনি বিশেষ ধর্মীয় আচারগুলো পরিচালনা করতে পারতেন।

ধারণা করা হচ্ছে, অপর কবরটিতে ফেতেক নামের এক বিচারপতি ও লেখককে সমাহিত করা হয়েছিল। ওই কবরে একটি ভাস্কর্যও পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সমাধি এলাকায় পাওয়া সবচেয়ে বড় ভাস্কর্য এটি। কবরগুলোয় মাটির তৈরি পাত্রসহ আরও বিভিন্ন জিনিস পাওয়া গেছে।

মিসরের সাবেক পুরাকীর্তিবিষয়ক মন্ত্রী এবং প্রত্নতাত্ত্বিক জাহি হাওয়াস বলেন, যেসব জিনিস পাওয়া গেছে, তা খ্রিষ্টপূর্ব ২৫ শতাব্দী থেকে শুরু করে খ্রিষ্টপূর্ব ২২ শতাব্দী পর্যন্ত পুরোনো।

প্রত্নতাত্ত্বিক আলি আবু দেশিশ বলেন, এ আবিষ্কার বিভিন্ন সময়ের রাজা এবং তাদের আশপাশে বসবাসকারী সাধারণ মানুষ সম্পর্কে ধারণা দেয়।

সাকারা হলো তিন হাজার বছরের বেশি পুরোনো এক সমাধিস্থল। ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের এলাকা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া এ সমাধিস্থলকে এখনো ব্যবহার করা হয়।
কয়েক বছর ধরে দেশের পর্যটনশিল্পকে নতুন করে জাগিয়ে তোলার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে মিসর। এর অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বড় বড় প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারের ঘটনা ঘটেছে।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ