শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের জন্য দারাজে এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট নিয়ে আসছে রিয়েলমি সি১০০এক্স মেঘনার ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, নদীরকূলে এলাকাবাসীর মানববন্ধন শেখ হাসিনার দেশে ফিরার ঘোষণা ‘রাজনৈতিক স্ট্যান্ডবাজি’ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারকে নতুন ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেয়ার কেলেঙ্কারি - সাকিবসহ ১৫ জনের মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে, দ্রুত চার্জশিট শান্তা পিনাকলে প্রিমিয়ার ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত দুই-তিন দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: জ্বালানিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
advertisement
তথ্য-প্রযুক্তি

আইসিটি ট্রেনিং কো-অর্ডিনেটর হলেন সেই রায়হান

মোহাম্মদ রিদুয়ান হাফিজ, কক্সবাজার প্রতিনিধি: শৈশবে দুই হাত হারানো অদম্য তরুণ বাহার উদ্দিন রায়হান আজ যোগ দিলেন আইসিটি পরিবারে Training Coordinator হিসেবে। এনহান্সিং ডিজিটাল গভর্নমেন্ট অ্যান্ড ইকোনমি (EDGE) প্রকল্পের অধীনে ১,০০,০০০ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিল সে।

বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলক আইসিটি পরিবারের ট্রেনিং কো-অর্ডিনেটর হিসেবে বাহার উদ্দিন রায়হানের হাতে নিয়োগ পত্র তুলে দেন।

সে বাহার উদ্দিন রায়হানের দুই টি হাত নেই। বাহার উদ্দিন রায়হান যখন পঞ্চম শ্রেনীতে পড়ত তখন তার হাত দুটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। একদিন বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারে ঢুকে পড়া একটি চড়ুই পাখিকে বাঁচাতে গিয়ে ঝলসে যায় তাঁর হাত ও পায়ের তালু। দীর্ঘ চিকিত্সার পর কেটে ফেলতে হয় দুই হাত। এভাবেই শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়ে যান রায়হান। তবু পড়ালেখা থেকে বিচ্যুত হননি। মনোবল আর সাহস ছিল তাঁর সঙ্গী। হাত না থাকলেও মুখ দিয়ে লিখে একের পর এক পাবলিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে চলছেন। সর্বশেষ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্ব সাথে এমএ পাস করেন। রায়হানের স্বপ্ন ছিল, পড়াশোনা শেষ করে একটি ভালো চাকরি করবে। আজকে সে আশা পূরণ হল।

রায়হানের বাড়ি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের জহিরপাড়ায়। শিশু বয়সেই হারাতে হয় বাবা বশির আহমদকে। তাঁর আপনজন বলতে আছেন শুধুই মা খালেদা বেগম।

বাহার উদ্দিন রায়হান বলেন,আমার স্বপ্ন ছিল আমি যদি একটা চাকরি পায়,আমার মাকে আমার কাছে নিয়ে যাবো।আজ আমার স্বপ্ন সত্যি হল।তিনি আরো বলেন,আমার মা ছাড়া আমার আর কেউ নাই।আমার মা আমার জন্য অনেক কষ্ট করেছে।
আমি চাই এখন থেকে আমার মায়ের সেবা করতে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ