শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
সরকারি কেনাকাটা ও দরপত্র স্থগিত করল স্থানীয় সরকার বিভাগ ওয়ালটন হাই-টেকের ১৯০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন Price Sensitive Information of Beacon Pharmaceuticals PLC. অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়লো রংপুর কারমাইকেল কলেজে চার্টার্ড সেক্রেটারি পেশার ওপর আইসিএসবি’র সফল সেমিনার অনুষ্ঠিত চীনা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংকিং সেবা জোরদারে এনসিসি ব্যাংকের ‘চায়না ডেস্ক’ চালু শার্শায় শামুক বিক্রি করেই জীবিকা নির্বাহ করছেন তিন শতাধিক পরিবার ধানমন্ডিতে অ্যাপোলো হসপিটালস চেন্নাই ও অ্যাপোলো ক্লিনিকের আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সেমিনার অনুষ্ঠিত আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ৪৭০তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি ইআইআইএলের ৭৯তম সভা অনুষ্ঠিত
advertisement
স্বাস্থ্য-লাইফস্টাইল

তরুণ প্রজন্মকে রক্ষায় ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করতে হবে: ই-ক্যাব

নিজস্ব প্রতিবেদক : তরুণ প্রজন্মকে নেশায় আসক্ত করতে হিট-নট-বার্ন বা ই-সিগারেট একটি নতুন অস্ত্র। যা এ প্রজন্মের জন্য মারাত্মক হুমকি। তাই দেশের তরুণ সমাজকে রক্ষায় এখনই ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করা জরুরি বলে জানিয়েছেন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সদস্যরা।

সিগারেট কোম্পানিগুলো তরুণদের মাঝে ই-সিগারেট উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কৌশলে প্রচারণা চালাচ্ছে বলেও জানান তারা।

রোববার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর বনানীতে ই-ক্যাব কার্যালয়ে ঢাকা আহছানিয়া মিশন, স্বাস্থ্য সেক্টর কর্তৃক আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, ঢাকা আহছানিয়া মিশন, তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী শরিফুল ইসলাম। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্বৃতি দিয়ে বলেন, ই-সিগারেটসহ সকল ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্টকে স্বাস্থের জন্য মারাত্নক ক্ষতির পণ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এমনকি, ই-সিগারেটকে তামাক পণ্য ব্যবহারের গেটওয়ে হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় ই-ক্যাবের সহ-সভাপতি সাহাব উদ্দিন শিপন বলেন, তামাক কোম্পানি সবসময়ই বিভিন্ন কূট-কৌশল অবলম্বন করে দেশের জনম্বাস্থ্যকে ক্ষতির মুখে ফেলে। বর্তমানে তারা দেশে ই-সিগারেট আমদানি ও প্রচার প্রচারণা শুরু করেছে এবং তরুণদের এই নেশায় আসক্ত হওয়ার প্রেরণা দিচ্ছে। ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করতে কঠোর উদ্যোগ নিতে হবে। এ সংক্রান্ত আইন দ্রুত পাস করতে হবে।

ই-সিগারেট ধূমপান ছাড়ার কোনো উপায় হতে পারে না। বরং এটি নতুন আরেকটি নেশায় আসক্ত হওয়া শুরুর জন্য দায়ী । ই-সিগারেট স্পষ্টভাবেই একটি ড্রাগ যা দেশে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। তাই ই-সিগারেট আমদানি বন্ধ করতে হবে বলে জানান ই-ক্যাবের নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম শোভন।

অনুষ্ঠানে ব্যারিষ্টার মাহফুজুর রহমান মিলন তার বক্তব্যে বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন অমান্য করে তামাক কোম্পানিগুলো ইউটিউব, ফেসবুক, ওয়েবসাইট ও অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে ই-সিগারেটের চটকদার বিজ্ঞাপন প্রচার করে তরুণদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে তামাক কোম্পানিগুলো। এছাড়াও যারা ধূমপান ছাড়তে চায় তাদেরকে প্রচলিত সিগারেটের বদলে ই-সিগারেট ব্যবহারে উৎসাহিত করছে। ই-সিগারেটের প্রসার বন্ধে এখনই কঠোর আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরি।

নতুন প্রজন্ম ই-সিগারেটে আসক্ত হয়ে পড়ার আগেই এর প্রসার রুখতে হবে। এছাড়া, ই-সিগারেট কিভাবে আমদানি হচ্ছে তা নির্ণয় করে এখনই আমদানি বন্ধের উদ্যোগ নিতে হবে বলে জানান ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রী কিডস, বাংলাদেশের প্রোগ্রামস ম্যানেজার আব্দুস সালাম মিয়া।

ই-ক্যাবের সদস্য হুরায়রা শিশিরের উপস্থাপনায় সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা আহছানিয়া মিশন, স্বাস্থ্য সেক্টরের উপ-পরিচালক মোখেলেসুর রহমান, পুষ্টিবিদ ইসরাত জাহানসহ অনেকেই।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ