মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
বিদেশি নাগরিকদের ব্যাংক হিসাব খোলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা ইসলামী ব্যাংক-মাস্টারকার্ডের ‘স্পেন্ড অ্যান্ড উইন‘ ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াতে জাইকার ১২ রেসকিউ স্পিডবোট হস্তান্তর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ভিত্তিক ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ উদ্বোধন শিক্ষার্থীদের আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী নোয়াখালীতে ব্রাককর্মী-শিশুসহ ৩ মরদেহ উদ্ধার চা শ্রমিকদের মধ্যে ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ ড্রামে ফেলে নবজাতককে হত্যা, মায়ের বিরুদ্ধে মামলা সিরাজগঞ্জে যুবদল নেতা সুজন হত্যা, স্ত্রীসহ দুজনের যাবজ্জীবন
advertisement
স্বাস্থ্য-লাইফস্টাইল

প্রতি ১০ বেডে ১ জন চিকিৎসক বাধ্যতামূলক

বেসরকারি হাসপাতালে কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ"

দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে জেলা পর্যায়ে কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই সঙ্গে প্রতি মাসে চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার সংগ্রহ, আকস্মিক পরিদর্শন এবং অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ১ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে দেশের সব সিভিল সার্জনদের এই নির্দেশনা পাঠানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চিকিৎসাসেবার গুণগত মান বজায় রাখতে প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতালে শয্যা সংখ্যার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োজিত রাখতে হবে। বিশেষ করে, প্রতি ১০টি শয্যার বিপরীতে অন্তত একজন মেডিকেল অফিসার থাকতে হবে। অর্থাৎ, ৫০ শয্যার একটি হাসপাতালে প্রতি শিফটে ন্যূনতম পাঁচজন মেডিকেল অফিসারের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে সিভিল সার্জনদের পাঁচটি বিষয়ে কড়াকড়ি করতে বলা হয়েছে:
১. প্রতি মাসে জেলার সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার সংগ্রহ।
২. হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চিকিৎসকদের নাম, বিএমডিসি নিবন্ধন নম্বর ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ।
৩. প্রাপ্ত তথ্যের সঠিকতা যাচাই-বাছাই করা।
৪. নিয়মিত আকস্মিক পরিদর্শন করা।
৫. মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো।

কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিকে নির্দেশনা অনুযায়ী চিকিৎসক না থাকলে কিংবা ভুয়া ও অসম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া হলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে তা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানাতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগের ফলে কাগজে-কলমে চিকিৎসক দেখিয়ে হাসপাতাল চালানোর অনিয়ম কমবে এবং রোগীরা নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাবেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ