শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
মুক্তাগাছায় শরীরে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুনে পুড়িয়ে যুবককে হত্যার অভিযোগ বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, সংসদে স্পেশাল রেসপন্স ব‍্যাটালিয়ন বিল পাশ সরকারি দপ্তরে অনলাইন হাজিরা - ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দিয়ে প্রশাসনের সংস্কার শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী ফার্স্ট ফাইন্যান্সের এজিএমের তারিখ পরিবর্তন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশ ব্যাংক - অর্জন করল 'মায়া ডিক্লারেশন কমিটমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০২৬' বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে ‘এমলিনো ডায়াবিট রান’ এর নিবন্ধন শুরু ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্ট যশোর শিক্ষা বোর্ডে ১৬৮৪ শিক্ষার্থীর পুনঃনিরীক্ষণের ফল পরিবর্তন ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অনিয়ম–জালিয়াতির অভিযোগ: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে পদত্যাগ করলেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল
advertisement
স্বাস্থ্য-লাইফস্টাইল

প্রতি ১০ বেডে ১ জন চিকিৎসক বাধ্যতামূলক

বেসরকারি হাসপাতালে কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ"

দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে জেলা পর্যায়ে কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই সঙ্গে প্রতি মাসে চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার সংগ্রহ, আকস্মিক পরিদর্শন এবং অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ১ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে দেশের সব সিভিল সার্জনদের এই নির্দেশনা পাঠানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চিকিৎসাসেবার গুণগত মান বজায় রাখতে প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতালে শয্যা সংখ্যার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োজিত রাখতে হবে। বিশেষ করে, প্রতি ১০টি শয্যার বিপরীতে অন্তত একজন মেডিকেল অফিসার থাকতে হবে। অর্থাৎ, ৫০ শয্যার একটি হাসপাতালে প্রতি শিফটে ন্যূনতম পাঁচজন মেডিকেল অফিসারের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে সিভিল সার্জনদের পাঁচটি বিষয়ে কড়াকড়ি করতে বলা হয়েছে:
১. প্রতি মাসে জেলার সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার সংগ্রহ।
২. হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চিকিৎসকদের নাম, বিএমডিসি নিবন্ধন নম্বর ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ।
৩. প্রাপ্ত তথ্যের সঠিকতা যাচাই-বাছাই করা।
৪. নিয়মিত আকস্মিক পরিদর্শন করা।
৫. মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো।

কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিকে নির্দেশনা অনুযায়ী চিকিৎসক না থাকলে কিংবা ভুয়া ও অসম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া হলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে তা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানাতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগের ফলে কাগজে-কলমে চিকিৎসক দেখিয়ে হাসপাতাল চালানোর অনিয়ম কমবে এবং রোগীরা নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাবেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ