শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
গুলশান-বনানীসহ ৫ লেক রক্ষায় এসটিপি স্থাপন ও সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারতীয় হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন - ভারতে পলাতক আসামিরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে সূচকের  উত্থানে লেনদেন শেষ ইআইআইএলের চেয়ারম্যান ও পরিচালক নিয়োগ নড়াইলে যৌথ অভিযানে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার  ৩ কিশোরগঞ্জে এনআরবিসি ব্যাংকের মাসব্যাপী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ শুরু বাংলাদেশিদের ওয়ার্ক পারমিট ও শ্রম ভিসা বন্ধ করলো লাওস পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১১ কর্মকর্তাকে বদলি মেধাবীদের উৎসাহ ও সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী
advertisement
বিনোদন

‘পথের পাঁচালী’র দুর্গা আর নেই

বিনোদন ডেস্ক : কিংবদন্তি নির্মাতা সত্যজিৎ রায় নির্মিত জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘পথের পাঁচালী’ সিনেমার অন্যতম চরিত্র ‘দুর্গা’য় অভিনয় করেছিলেন উমা দাশগুপ্ত। অনেকটা নীরবেই চলে গেলেন তিনি।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ৮টায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

বিধায়ক-পরিচালক ও অভিনেতা চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “সকালে ওঁর মেয়ের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। তখনই জানালেন, উমাদি চলে গিয়েছেন।

কয়েক বছর আগে ক্যানসারে আক্রান্ত হন উমা দাশগুপ্ত। যদিও ক্যানসার থেকে সেরে উঠেছিলেন তিনি। তবে সম্প্রতি আবারও ক্যানসারে আক্রান্ত হন উমা। অসুস্থ হয়ে পড়ায় বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। সেখানেই মারা যান এই অভিনেত্রী। উমা দাশগুপ্ত ও চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী একই ভবনে বসবাস করেন। এ তথ্য উল্লেখ করে চিরঞ্জিৎ বলেন, সকালে উনার মেয়ের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। তখনই জানালেন, উমাদি চলে গিয়েছেন। কয়েক বছর আগে ক্যানসার হয়েছিল তার।

১৯৫৫ সালে সত্যজিৎ রায়ের ‘পথের পাঁচালী’ সিনেমায় ‘অপুর’ দিদি ‘দুর্গা’ চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন উমা দাশগুপ্ত। কিশোরী বয়েসের সেই চরিত্রে অভিনয় করে সবার মনে জায়গা পেলেও তাকে আর পর্দায় দেখা যায়নি। পেশাগত জীবনে তিনি শিক্ষক ছিলেন।

শৈশব থেকেই থিয়েটার করতেন অভিনেত্রী উমা দাশগুপ্ত। যে স্কুলে পড়তেন সেখানকার প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে সত্যজিৎ রায়ের খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। সেই শিক্ষকের সুবাদেই সত্যজিৎ আবিষ্কার করেছিলেন ‘পথের পাঁচালী’ সিনেমার ‘দুর্গা’ উমা দাশগুপ্তকে। তবে উমা দাশগুপ্তর বাবা চাননি মেয়ে রুপালি জগতে পা রাখুক, পরে সত্যজিৎ রায় নিজেই পরিবারকে রাজি করান। কিন্তু সেই একটি সিনেমার পর আর কখনো লাইট ক্যামেরা অ্যাকশনের দুনিয়ায় দেখা যায়নি তাকে। তবে একটি সিনেমা দিয়েই তিনি কয়েক প্রজন্মের মনে জায়গা করে নেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ