সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
শিরোনাম
মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী - শ্রমবাজার ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর ভালোবাসার প্রধান বিষয়বস্তু হচ্ছে শিক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্টারমার ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা - পরিসংখ্যান ও সমীকরণে কে এগিয়ে? মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর এনসিসি ব্যাংকের শরী‘আহ্ সুপারভাইজরি কমিটির ১০তম সভা অনুষ্ঠিত টানা ২ দফা কমার পর ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম বাংলাদেশি কর্মীদের শ্রমবাজার খুলতে মালয়েশিয়ার সঙ্গে তারেক রহমানের আলোচনা শার্শায় ইয়াবাসহ যুবক আটক
advertisement
বিনোদন

‘নায়ক-নায়িকা যদি ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসেও থাকে, সমস্যা কোথায়?’ প্রশ্ন সায়ন্তিকার

বিনোদন ডেস্ক : বাংলাদেশে শ্যুটিংয়ে এসে তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফেরেন কলকাতার অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমবার বাংলাদেশের ছবিতে অভিনয় করতে ঢাকায় গিয়েছিলেন নায়িকা। সেখানে গিয়ে এক কোরিওগ্রাফারের সঙ্গে মনোমালিন্য হয় সায়ন্তিকার।

অভিনেত্রী বলেন, তাঁকে না বলেই তাঁর হাত ধরেন ঐ কোরিওগ্রাফার। তবে অভিনেত্রী আরও জানান যে প্রধানত সমস্যা প্রযোজকের। এরপর সেই প্রযোজকও একগুচ্ছ অভিযোগ করেন নায়িকার বিরুদ্ধে।

সম্প্রতি এই প্রসঙ্গে ফের মুখ খোলেন অভিনেত্রী। কোরিওগ্রাফার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অকারণে কেন একজন শিল্পীর নামে মিথ্যা বলতে যাব? ও খুব আগ্রহ নিয়ে নিজের কাজ করার চেষ্টা করছিল। হয়ত কথা বলতে বলতেই না বুঝে আমার হাত ধরে নাচের পজিশন বুঝিয়েছে, কাজটা বোঝানোর চেষ্টা করেছে। তার মধ্যে কোনও খারাপ উদ্দেশ্য ছিল না। ওঁর আশেপাশের মানুষই এ ধরনের খারাপ কথা রটাচ্ছে।’

অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে প্রযোজক মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘সায়ন্তিকার সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও হাস্যকর। হাত ধরা নিয়ে সায়ন্তিকার সমস্যা মাইকেল বাবুর সঙ্গে। তিনি পরিচালককে ফোন করে মাইকেল বাবুকে মারতেও চেয়েছিলেন। এখন আমার বিরুদ্ধে সায়ন্তিকা কেন অভিযোগ করছেন, সেটাই তো বোধগম্য নয়। আমার সঙ্গে তার সমস্যা হলে মাইকেলকে কেন বসিয়ে রাখবেন? একজন তারকা যদি নিজের ব্যক্তিত্ব ধরে রাখতে না পারেন, তা হলে আর কী বলার আছে।’

সায়ন্তিকার বিরুদ্ধে অপেশাদারিত্বের অভিযোগ করে মনিরুল বলেন, ‘কিভাবে শুটিং হবে, এটা ঠিক করেন পরিচালক। আগে থেকে পরিকল্পনা ছিল গানের দৃশ্য দিয়ে শুরু হবে শুটিং। অপেশাদারি আচরণ আমি নই, সায়ন্তিকা করেছেন। চুক্তির বাইরে আমরা তাকে ৫০ হাজার রুপি দিয়েছি পোশাকের জন্য। অথচ তিনি কোনো পোশাক নিয়ে আসেননি। এরপর আবার ড্রেসম্যান মনিরকে দিয়ে পোশাকের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। সেই পোশাকগুলোও সায়ন্তিকা ফেরত দিয়ে যাননি।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাইকেলের ডিরেকশনে গানের শুটিং করার সময় ড্রেস পরিবর্তন করার জন্য বেলা ২টায় হোটেলে যান নায়ক-নায়িকা। ফিরে আসেন সন্ধ্যা ৬টায়। ড্রেস চেঞ্জ করতে চার ঘণ্টা সময় লাগে, এমনটি কখনো দেখিনি। এ ছাড়া যেদিন আমরা শুটিং প্যাকআপ করে পুরো ইউনিট নিয়ে চলে আসি, সেদিন নায়ক-নায়িকা হোটেলেই থেকে যান। ওই দিন তারা সেখানে কী করছিলেন? এ প্রশ্নের জবাব তারা কী দেবেন? এ কথাগুলো কখনো সামনে আনতে চাইনি। কিন্তু এখন আর চুপ করে থাকতে পারলাম না।’

এই অভিযোগের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সায়ন্তিকা বলেন, ‘কে আমাকে নিয়ে কী বলছে, তা নিয়ে আমি সত্যিই ভাবিত নই। কোনও সাফাই দেওয়ারও প্রয়োজন মনে করি না কারণ আমি জানি সত্যিটা কী। আর নায়ক-নায়িকা যদি ঘণ্টার পর ঘণ্টাও বসে থাকে, সমস্যা কোথায়?’ সূত্র-জিনিউজ।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ