বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক বিজয়: প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্ট যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ বাংলাদেশে সৌদি আরবের বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সূচকের মিশ্রাবস্থায় লেনদেন শেষ দুই বছরেও উদ্ধার হয়নি ৪ আগস্টের অবৈধ অস্ত্র, ৯ মামলার মধ্যে ৩টির চার্জশিট নোয়াখালীতে ডাকাতির তিন দিন পর ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার ভারত থেকে এলো ৯ টন কাঁচামরিচ নিরাপদ পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে আইনি ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
advertisement
শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি

সিরাজগ‌ঞ্জে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষর পদত্যাগ

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন সিরাজগঞ্জ পুলিশ লাইন স্কুল এ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ খাদিজা পারভীন। সোমবার (১২) আগস্ট বিকাল ৩টার দিকে পুলিশ লাইন স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি বরাবর তিনি পদত্যাগ পত্র জমা দেন।

এর আগে সকালে দুর্ণীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষর অপসারণ চেয়ে আন্দোলনের নামে কলেজের শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারনসহ ১০ দফাদাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন। পরে জেলার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার মুক্তির সোপান থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে।
এ সময় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের তাসনিয়া পারভিন তাসনিম জানান প্রিন্সিপাল ১২ বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কিন্তু তিনি নিজেকে ভারপ্রাপ্ত মনে না করে কলেজের মালিক মনে করেন। মাত্র ১৬ হাজার ৭’শ টাকার বেতনে চাকরি করে তিনি ৪০লাখ টাকা মুল্যের প্রিমিও গাড়ি ব্যবহার করেন। গড়েছেন মিল কারখানা কিনেছেন একাধিক জমি ও প্লট তার এত টাকার উৎস কলেজে দুর্ণীতি থে‌কে।
এস এস সি পরিক্ষার্থী মেহেদী হাসান শুভ বলেন, খাদিজা ম্যামের দূর্ণীতি নিয়ে ২০২২ সালে মানবকন্ঠ পত্রিকায় নিউজ হয়েছে তার পরও তিনি কিসের জোরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আমরা তার অপসারন চাই।

একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান জানান প্রিন্সিপাল আমাদের সাথে খারাপ আচরন তো করেনই আমাদের অবিভাবকদের সাথে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন। এধরনের শিক্ষককে আমরা চাই না।

আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ আনান জানান আমরা ১০ দফা দাবি দিয়েছি, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে অপসারন করতে হবে পাশাপাশি ২০১২ থেকে ২৪ সাল পর্যন্ত তিনি কলেজে যেসকল দুর্ণীতি করেছে তার তদন্ত করে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনতে হবে। এক সময় স্কুল ও কলেজ শাখা মিলে শিক্ষার্থী ছিলো ১৪ থেকে ১৫’শ এখন তা কমে ৩’শ থেকে ৪’শ জন হয়েছে। আমাদের দাবি না মানলে আমরা সিরাজগঞ্জের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এক হয়ে আন্দোলনে নামবো।

শিক্ষার্থীদের বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যেই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ খাদিজা পারভীন পুলিশ লাইন স্কুল এ্যান্ড কলেজের সভাপতির নিকট পদত্যাগ পত্র জমা দেন। তবে কি কারনে তিনি পদত্যাগ করেছেন সেটা পদত্যাগ পত্রে উল্লেখ করেন নি। কেনো পদত্যাগ করলেন এমন প্রশ্নে তিনি এরিয়ে গিয়ে বলেন, আমি আজই কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতির নিকট পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছি।
খাদিজা পারভীনের পদত্যাগের খবরে মিষ্টি বিতরন করেছে উক্ত কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।’

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ