বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১৬ ইউনিট গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের দুই উদ্যোক্তার শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের ঘোষণা ভারতের গঙ্গা নদীতে নৌকা ডুবে ১৩ শিশুর প্রাণহানি সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোয় হুথিদের হামলা আবুধাবি টেস্টে নাটকীয় ড্র - বাংলাদেশকে জিততে দিল না আফগানিস্তান তালিকাভুক্ত কোম্পানির লভ্যাংশ বিতরণের অনিয়মে ব্যবস্থা নেবে বিএসইসি কাদের মির্জা ও স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের তিন মামলা চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৪ ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদ-দাম্মামগামী ফ্লাইট স্থগিত নীতিমালা জারি - সরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি লটারিতে, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে পরীক্ষার মাধ্যমে
advertisement
শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি

নীতিমালা জারি

সরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি লটারিতে, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে পরীক্ষার মাধ্যমে

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। আর দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শূন্য আসনে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে গতকাল মঙ্গলবার রাতে ‘সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা-২০২৭’ প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সারাদেশে সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন, ফি গ্রহণ এবং ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও প্রকাশ সবই অনলাইনে সম্পন্ন হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রতি শ্রেণি শাখায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা হবে ৫৫ জন। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ অনুযায়ী শিক্ষার্থীর বয়স ৬+ বছর ধরা হলেও আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৭ তারিখে সর্বনিম্ন ৫ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত বয়সের শিক্ষার্থীরা আবেদনের সুযোগ পাবে। বয়স প্রমাণের জন্য অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। আর বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের বয়স নির্ধারণে সর্বোচ্চ ৫ বছরের অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া যাবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ৫টি বিদ্যালয়ে পছন্দক্রম দিতে পারবে। তবে ডাবল শিফট স্কুলে উভয় শিফট পছন্দ করলে ২টি বিদ্যালয় পছন্দক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে গণ্য হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কেন্দ্রীয়ভাবে লটারির আয়োজন করবে। লটারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শূন্য আসনে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাই করতে হবে। লিখিত পরীক্ষার জন্য দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণমান ৫০ (বাংলা-১৫, ইংরেজি-১৫, গণিত-২০, সময় ১ ঘণ্টা)। আর ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণমান ১০০ (বাংলা-৩০, ইংরেজি-৩০, গণিত-৪০, সময় ২ ঘণ্টা)। প্রশ্নপত্র জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) পাঠ্যবই থেকে তৈরি করা হবে এবং প্রশ্নপত্র অবশ্যই মানসম্মত ও শ্রেণি উপযোগী হতে হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে আবেদনের ফরমের জন্য সর্বোচ্চ ১১০ টাকা এবং দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে আবেদনের জন্য সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা নেওয়া যাবে। সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে নির্ধারণ করতে হবে।

নীতিমালায় আসন সংরক্ষণ ও কোটা ব্যবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগরীর সরকারি বিদ্যালয়ের আওতাধীন এলাকার (ক্যাচমেন্ট এরিয়া) শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। অবশিষ্ট ৬০ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে মোট আসনের ১০ শতাংশ স্বতন্ত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র ও কন্যাদের জন্য ৫ শতাংশ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ২ শতাংশ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অধীনস্থ দপ্তরের সন্তানদের জন্য মোট ২ শতাংশ, সহোদর বা সহোদরা শিক্ষার্থীদের জন্য ৩ শতাংশ এবং যমজ ভাই-বোনের জন্য ২ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

এছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলিজনিত কারণে সন্তানদের ভর্তির জন্য প্রতি শাখায় ৫ শতাংশ অতিরিক্ত আসন সংরক্ষিত থাকবে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগরী, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৃথক ভর্তি কমিটি গঠন করে পুরো ভর্তি প্রক্রিয়া তদারকি করা হবে।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ