শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী - দেশের ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম খাতে জেএমআইয়ের অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয় ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের: অর্থমন্ত্রী সিমকার্ডে ৩০০ টাকা কর প্রত্যাহার - সরকারের রাজস্ব কমছে ১২০০ কোটি টাকা ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক রেকর্ড বাজেটে বড় ঘোষণা: - সারা বছরই দেওয়া যাবে রিটার্ন, আগে দিলে ছাড় ও দেরিতে জরিমানা জুলাই শহীদ ও আহতদের পরিবারের আবাসনে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা ২০২৬-২৭ অর্থবছর: - শিক্ষাখাতে রেকর্ড ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব ৬ শিশুর মৃত্যু - আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব
advertisement
সম্পাদকীয়

উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ হল নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ

 

আগামী ৭ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সপ্তাহ-২০১৬। ২০১২ সাল থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য, দেশের সর্বস্তরের জনগণকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী ও সচেতন করা। প্রতিবারের ন্যায় দেশের জেলা সদর ও উপজেলায় আয়োজন করা হবে জাতীয় বিদ্যুত ও জ্বালানি ক্যাম্প। এই ক্যাম্পে রোভার ও স্কাউট স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে এবং তাঁরাই জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তা পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করবেন জনগণের মাঝে। 

এ বছর বিদ্যুতের সুবিধাবঞ্চিত তিন হাজার পরিবারকে বিনামূল্যে সৌর প্যানেল দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে অবশ্য রিলিফ প্রোগ্রামের আওতায় অনেক আগে থেকেই দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সৌর প্যানেল দেয়া হচ্ছে বিনামূল্যে।

বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ আশাব্যঞ্জক বলে অভিহিত করছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও গ্রাহকের চাহিদানুযায়ী নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা আজও সম্ভব হয়নি। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ২০২১ সালের মধ্যে দেশের সর্বত্র বিদ্যুৎ পৌঁছাতে তারা বদ্ধপরিকর। এ লক্ষে সরকারের পক্ষ থেকে নেয়া নানা পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায় আয়োজন করা হয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সপ্তাহ। এর মাধ্যমে সরকার দেশের প্রত্যন্ত এলাকা, দুর্গম চরাঞ্চল এবং উপকূলীয় দ্বীপাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে চান। সরকারের এ পদক্ষেপ নি:সন্দেহে প্রসংশার দাবিদার। সরকারের গৃহীত জনকল্যাণকর কর্মসূচির প্রতি জনসাধারণ স্বতস্ফূর্তভাবে অংশ নিবে, বিদ্যুৎ অপচয় রোধে সচেতন হবে এ প্রত্যাশা আমাদেরও। 

দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ। এক্ষেত্রে বায়ুবিদ্যুৎ ও সৌরবিদ্যুৎ হতে পারে সর্বাধিক লাগসই ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তি। গরিবদের জন্য এবং অপেক্ষাকৃত দুর্গম অঞ্চলে এর বিকল্প নেই বললেই চলে। 

 

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ