শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী - দেশের ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম খাতে জেএমআইয়ের অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয় ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের: অর্থমন্ত্রী সিমকার্ডে ৩০০ টাকা কর প্রত্যাহার - সরকারের রাজস্ব কমছে ১২০০ কোটি টাকা ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক রেকর্ড বাজেটে বড় ঘোষণা: - সারা বছরই দেওয়া যাবে রিটার্ন, আগে দিলে ছাড় ও দেরিতে জরিমানা জুলাই শহীদ ও আহতদের পরিবারের আবাসনে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা ২০২৬-২৭ অর্থবছর: - শিক্ষাখাতে রেকর্ড ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব ৬ শিশুর মৃত্যু - আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব
advertisement
সম্পাদকীয়

বিদেশ যেতে ইচ্ছুক শ্রমিকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দেয়া হোক

আমাদের দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন বিদেশে কর্মরত শ্রমিকেরা। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ আছে মালয়েশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যন্যা দেশে শ্রমিক পাঠানো। মালয়েশিয়া বেশ কয়েকবার শ্রমিক পাঠানোর পরিবেশ সৃষ্টি হলেও তা আর আলোর মুখ দেখেনি। সম্প্রতি আবারো সেদেশে শ্রমিক নেয়ার ব্যাপারে বৈঠক হয়েছে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রীর সাথে। মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী বলেছেন, খুব শীঘ্রই শ্রমিক নেয়া শুরু করবে মালয়েশিয়া। প্রাথমিকভাবে দেশটি নির্মাণ, প্লান্টেশন ও ম্যানুফ্যাকচার খাতে কর্মী নেবে। বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। উভয় দেশ সম্মত হয়েছে যে, অভিজ্ঞ ও স্বনামধন্য রিক্রুটিং এজেন্সীর মাধ্যমে কর্মী প্রেরণ করা হবে। 

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকারের মধ্যে জি-টু-জি প্লাস পদ্ধতিতে কর্মী নেয়ার বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এ পদ্ধতিতে বাংলাদেশের কর্মীরা তুলনামূলক কম খরচে মালয়েশিয়া যেতে পারবে।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সৌদি আরবের শ্রমবাজার বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে। সম্প্রতি সৌদি মন্ত্রিপরিষদের এক বৈঠকে বাংলাদেশে থেকে গৃহকর্মী নেয়ার বিষয়ে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে হওয়া চুক্তির আওতায় দেশটিতে কর্মী নিয়োগ করা হবে। 

বর্তমানে বিদেশ যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। আশা করব, বিদেশ গমন প্রত্যাশী কর্মীদের প্রশিক্ষণের সুযোগ আরও বাড়ানো হবে। এতে প্রবাসী কর্মীদের অপেক্ষাকৃত বেশি বেতন প্রাপ্তির সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। আগামীতে বিভিন্ন দেশে অদক্ষ কর্মীদের শ্রমবাজার আরও সংকুচিত হওয়ার আশংকা রয়েছে। কাজেই বিদেশে গমন প্রত্যাশী সব কর্মীকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বিভিন্ন ভাষায় দক্ষ করে তোলার জন্যও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ