বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম
মাহিন্দ্রা মিনি পিকআপের মাধ্যমে সাব ওয়ান টন সেগমেন্টে এ সি আই মটরস্ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু সামিয়া অথৈকে মারধরের অভিযোগে যা বললেন তিশা নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী ভারত পরিপত্র জারি: - সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকাল ৯টায় অফিসে থাকা বাধ্যতামূলক স্বর্ণের দামে বড় পতন: - ভরিতে কমল ৯ হাজার ২১৪ টাকা চীনের বিপক্ষে লড়াই করে হারলো বাংলাদেশ চট্রগ্রামে শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের ২ অনুসারী অস্ত্র ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ইসলামী ব্যাংকের ইউপিআই ব্র্যান্ডের খিদমাহ ক্রেডিট কার্ডের উদ্বোধন এনসিসি ব্যাংকে আর্থিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৬ পালন ঈদযাত্রায় ট্রেনের দ্বিতীয় দিনের টিকিট বিক্রি শুরু
অর্থ-বাণিজ্য

বাড়ি কিনতে ঋণের সীমা দ্বিগুণ করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক, দেওয়া হবে সর্বোচ্চ ৪ কোটি টাকা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক: গৃহঋণ নীতিমালা সহজ ও হালনাগাদ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নিয়মে গ্রাহক সর্বোচ্চ কত গৃহঋণ পাবেন, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের গৃহঋণে খেলাপি ঋণের হারের ওপর। ভালো অবস্থানে থাকা ব্যাংকগুলো এখন বাড়ি কিনতে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ এ সংক্রান্ত এক নির্দেশনা জারি করেছে।

এ বিষয়ে আগের যেসব সার্কুলার ছিল সেগুলো বাতিল করে এই নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নতুন নিয়মটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংকের গৃহঋণে খেলাপি ঋণ পাঁচ শতাংশ বা তার কম হলে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ চার কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। খেলাপি ঋণ পাঁচ শতাংশের বেশি কিন্তু ১০ শতাংশের মধ্যে হলে সর্বোচ্চ ঋণসীমা হবে ৩ কোটি টাকা। আর খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশের বেশি হলে সর্বোচ্চ দুই কোটি টাকা পর্যন্ত গৃহঋণ দেওয়া যাবে।

নীতিতে বলা হয়, বাড়ি বা ফ্ল্যাটের মোট মূল্যের সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ ব্যাংক ঋণ হিসেবে দেওয়া যাবে। বাকি অন্তত ৩০ শতাংশ অর্থ গ্রাহককে নিজে দিতে হবে। পাশাপাশি ঋণ দেওয়ার আগে ব্যাংককে নিশ্চিত হতে হবে যে, গ্রাহকের পর্যাপ্ত আয় আছে এবং তিনি নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক আবাসন ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ঋণ-ইক্যুইটি অনুপাত ৭০:৩০ অপরিবর্তিত রেখেছে। পাশাপাশি, ব্যাংকগুলোকে কঠোরভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে-ঋণগ্রহীতার অবশ্যই নির্ধারিত কিস্তি পরিশোধের জন্য পর্যাপ্ত নিট নগদ আয় থাকতে হবে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা এ নীতিমালা ২০০৪ ও ২০১৯ সালে জারিকৃত পূর্ববর্তী নির্দেশনাগুলোকে প্রতিস্থাপন করবে। তবে আবাসন ঋণের সীমা সংশোধন করা হলেও ভোক্তা ঋণসংক্রান্ত অন্যান্য বিদ্যমান নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় চাপের মুখে থাকা সম্ভাব্য গৃহমালিকরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে খেলাপি ঋণের হার কম রাখতে এ নীতিগত পরিবর্তন ব্যাংকগুলোকেও উৎসাহিত করবে।

এই সম্পর্কিত আরো

মাহিন্দ্রা মিনি পিকআপের মাধ্যমে সাব ওয়ান টন সেগমেন্টে এ সি আই মটরস্ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

সামিয়া অথৈকে মারধরের অভিযোগে যা বললেন তিশা

নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী ভারত

পরিপত্র জারি: সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকাল ৯টায় অফিসে থাকা বাধ্যতামূলক

স্বর্ণের দামে বড় পতন: ভরিতে কমল ৯ হাজার ২১৪ টাকা

চীনের বিপক্ষে লড়াই করে হারলো বাংলাদেশ

চট্রগ্রামে শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের ২ অনুসারী অস্ত্র ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার

ইসলামী ব্যাংকের ইউপিআই ব্র্যান্ডের খিদমাহ ক্রেডিট কার্ডের উদ্বোধন

এনসিসি ব্যাংকে আর্থিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৬ পালন

ঈদযাত্রায় ট্রেনের দ্বিতীয় দিনের টিকিট বিক্রি শুরু