সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যা - এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী রিমান্ডে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ অব্যবহৃত পড়ে থাকা ২৪টি ট্রমা সেন্টার দ্রুত চালুর উদ্যোগ: থাকছে ২৪ ঘণ্টার অ্যাম্বুলেন্স নেটওয়ার্কও ‘হজ এজেন্ট কাফেলা কার্ড’ চালু করেছে ইসলামী ব্যাংক ২৮ বছর পর আবার আসছে ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ - ইউনিয়ন পরিষদ পেল ১১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বরাদ্দ আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ৭ দুই বছর পর চালু হচ্ছে কলকাতা-খুলনা  বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনটি ২৮ সেপ্টেম্বর তাল্লু স্পিনিংয়ের বোর্ড সভা
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

বছরে ৪ বার বাড়তে পারে বিদ্যুতের দাম

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: গ্রাহকরা যেন হঠাৎ করে ধাক্কা না খান এ জন্য ভর্তুকি কমিয়ে আনতে বছরে চারবার বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করবে সরকার। পর্যায়ক্রমে ২০২৫, ২০২৬ এবং ২০২৭ সালে এভাবেই বাড়ানো হবে। সেই সঙ্গে গ্যাসের ভর্তুকিও ধীরে ধীরে প্রত্যাহার করা হবে।

বৃহস্পতিবার (২ মে) সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগ এ কথা জানিয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদকদের বকেয়া বিল এবং বন্ডের মাধ্যমে তাদের কত টাকা পরিশোধ করা হয়েছে তা জানতে চেয়েছে আইএমএফের দলটি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমন্বয়ের নামে মূলত বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। সরকার খরচ কমিয়েও ভর্তুকি সমন্বয় করতে পারে। অনিয়ম, দুর্নীতি, অপচয় রোধ করে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ কমানোর দিকে সরকারের মনোযোগ নেই। বরং চাহিদা না থাকলেও দরপত্র ছাড়া একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করে এ খাতের খরচ আরও বাড়াচ্ছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন (ক্যাব) অভিযোগ করেছে, সরকার কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য বিদ্যুৎ ও অন্যান্য জ্বালানির দাম বাড়াতে যাচ্ছে।

সরকার অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করলে এ খাতে ভর্তুকি দেওয়ার প্রয়োজনই হতো না বলে জানিয়েছে ক্যাব।

জানা গেছে, বৈঠকে পেট্রোবাংলা ও বিপিসি জানিয়েছে গ্যাস ও জ্বালানি তেলে নতুন করে ভর্তুকির চাপ নেই। ‘আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়লে দেশে বাড়বে, কমলে কমবে’ আইএমএফের বলা নীতিতে তেলের দাম স্বয়ংক্রিয় করার পদ্ধতি চালু হয়েছে। প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করার ফলে এ খাতে আর কখনো ভর্তুকি দিতে হবে না। প্রথম দুই দফায় দাম কিছুটা কমানো হলেও শেষ দফায় দাম বেড়েছে। তিন মাস ধরে এ চর্চা করা হচ্ছে।

অনেক শর্ত মেনে ২০২৩ সালে আইএমএফের ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ পায় বাংলাদেশ। শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমিয়ে আনা, জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ে আন্তর্জাতিক রীতিনীতি অনুসরণ করা। ইতোমধ্যে ২ কিস্তিতে ১০০ কোটি ডলার ঋণ পেয়েছে বাংলাদেশ। চলতি মাসে ৭০ কোটি ডলার পাওয়ার কথা রয়েছে। আইএমএফের বর্তমান দলটি ২৪ এপ্রিল থেকে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করছে, যা শেষ হবে ৮ মে। সূত্র আরটিভি নিউজ।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ