শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
গুলশান-বনানীসহ ৫ লেক রক্ষায় এসটিপি স্থাপন ও সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারতীয় হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন - ভারতে পলাতক আসামিরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে সূচকের  উত্থানে লেনদেন শেষ ইআইআইএলের চেয়ারম্যান ও পরিচালক নিয়োগ নড়াইলে যৌথ অভিযানে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার  ৩ কিশোরগঞ্জে এনআরবিসি ব্যাংকের মাসব্যাপী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ শুরু বাংলাদেশিদের ওয়ার্ক পারমিট ও শ্রম ভিসা বন্ধ করলো লাওস পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১১ কর্মকর্তাকে বদলি মেধাবীদের উৎসাহ ও সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

উদ্বোধনের ১ মাসেও ধান আসেনি খাদ্য গুদামে

বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় সরকারিভাবে অভ্যন্তরীণ আমন ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের ১ মাসেও একমুঠ ধান সংগ্রহ করতে পারেনি গুদাম কর্তৃপক্ষ। কারণ হিসাবে তারা বলছেন সরকারি দামের তুলনায় বাজারদর বেশি হওয়ায় সরকারি গুদামে ধান দিতে কৃষকদের আগ্রহ নেই। তবে মিলারদের কাছ থেকে ২১৯.৪৫০ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। এ অবস্থায় ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান অনেকটাই ব্যর্থ হয়েছে।পাশাপাশি কাজ না থাকায় নন্দীগ্রাম এলএসডির লেবারেরা পরেছে বিপাকে। কাজ না থাকায় অনেক কষ্টে তাদের জীবন যাপন করতে হচ্ছে।

নন্দীগ্রাম এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক আলমগীর জানান, এ বছর নন্দীগ্রামে কৃষকদের কাছে থেকে ৩৩ টাকা কেজি দরে ১৩৪২ মেট্রিক টন আমন ধান ও চাল কল মালিকদের কাছে থেকে ৪৭ টাকা কেজি দরে ৬৭২ মেট্রিক টন আমন ধানের চাল ক্রয় করা হবে।

উপজেলার কৃষকরা বলেন, সরকার নির্ধারিত ধানের দামের চেয়ে বাজারে দাম বেশি তাই খোলাবাজারে ধান বিক্রি করলে তুলনামূলক বেশি লাভ। এছাড়া গুদামে ধান দেয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করা, সব ধরনের ধান না নেওয়া, ধানের দাম হাতে হাতে না পাওয়াসহ নানা সমস্যা হয়।

নন্দীগ্রাম এলএসডির লেবার সাত্তার আলী বলেন, গুদামে ধান আসিচ্ছে না, কিছু পরিমান চাল ঢুকেছে। আমরা বসে বসে সময় পার করছি। কাজ না থাকায় আমাদের চলাই কঠিন হয়েছে।

উপজেলা চাল কল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন বলেন, ধান কিনে চাল করতে যে খরচ পড়ছে আর সরকারিভাবে যে মূল্যনির্ধারণ করা হয়েছে তাতে আমাদের কেজিতে ৪/৫ টাকা লোকসান হচ্ছে। লোকসানের পরও শুধু লাইসেন্স টিকিয়ে রাখতে ও সরকারকে সহযোগী করার জন্য চাল দিতে হচ্ছে।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাজেদুল ইসলাম জানান, বাজারে ধান-চালের দাম বেশি। তাই গুদামে ধান দিতে কৃষকদের আগ্রহ নেই। মিলাররা আমাদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ায় তারা চাল দিতে সম্মত হয়েছেন। তাদের সাথে যে চুক্তি হয়েছে এ পর্যন্ত তার ৭০ ভাগ চাল সংগ্রহ হয়েছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ