শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
1st Quarter Financial Statements of Shinepukur Ceramics Ltd. নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য - প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন অভিনেতা শিবা শানু হ্যান্ডহেল্ড গার্মেন্ট স্টিমারসহ নতুন পার্সোনাল কেয়ার ডিভাইস আনল শাওমি ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৮৬ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষ্যে এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামে পেশেন্ট ফোরাম ব্যাংকিং খাতে প্রথম ওয়েবভিত্তিক ইন্টারেক্টিভ সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট প্রকাশ করল ইউসিবি ময়মনসিংহে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে ৭ প্রাণহানি, পলাতক সেই বাসচালক গ্রেফতার আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ৪৭১তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত ইয়াবা গায়েবের অভিযোগ, সাতকানিয়া থানার ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

দেশে খাদ্য মজুত সন্তোষজনক

দেশে খাদ্যশস্যের মজুত ২০ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন ছাড়াল

দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারি গুদামগুলোতে খাদ্যশস্যের মজুত এখন অত্যন্ত সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। খাদ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৭ জুন ২০২৬ পর্যন্ত ফ্লোটিং (ভাসমান) মজুতসহ সরকারি গুদামে মোট ২০ লাখ ৬০ হাজার ৫০৭ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য জমা রয়েছে।

খাদ্য অধিদপ্তরের দৈনন্দিন খাদ্যশস্য পরিস্থিতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারি গুদামগুলোতে এখন চালের মজুত রয়েছে ১৫ লাখ ৯৬ হাজার ৫৭৯ মেট্রিক টন, গমের মজুত ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৮৩১ মেট্রিক টন এবং ধানের মজুত ১ লাখ ৬১ হাজার ৮৪ মেট্রিক টন। ফ্লোটিং মজুত বাদে সরাসরি গুদামে মজুত রয়েছে ২০ লাখ ৩৮ হাজার ১১৪ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য। এর সঙ্গে ফ্লোটিং মজুত হিসেবে থাকা ২২ হাজার ৩৯৩ মেট্রিক টন (২০ হাজার ৪৩২ টন গম ও ১ হাজার ৯৬২ টন চাল) যোগ হয়ে মোট মজুতের এই পরিমাণ দাঁড়িয়েছে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বোরো ধান ও চাল সংগ্রহের অভিযান পুরোদমে চলছে। ১৭ জুন পর্যন্ত মোট ৭ লাখ ১৮ হাজার ৩৭৩ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ধান ১ লাখ ৮৪ হাজার ৩৭৫ টন, সিদ্ধ চাল ৫ লাখ ৬৬ হাজার ৬৭ টন, আতপ চাল ৩১ হাজার ৯৬৮ টন এবং গম ৪৯৪ টন।

এদিকে, ১ জুলাই ২০২৫ থেকে ১৭ জুন ২০২৬ পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি খাতে মোট ৮৫ লাখ ৮৩ হাজার ৫১ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য আমদানি করা হয়েছে। এর মধ্যে চাল ৭৩ লাখ ১৬ হাজার ১৯৪ টন এবং গম ১২ লাখ ৬৬ হাজার ৫৭ টন। আমদানির সিংহভাগই এসেছে বেসরকারি খাতে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ শাখার উপ-সচিব মোহাম্মদ মামুন মিয়া জানান, সাধারণত ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য মজুত থাকলে তা ‘নিরাপদ’ হিসেবে গণ্য হয়। সেই মানদণ্ডে বর্তমানে দেশের মজুত পরিস্থিতি অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক।

খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জামাল হোসেন বলেন, সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি এবং বর্তমানে মজুত খুবই সন্তোষজনক।

খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা জানান, গত ৩ মে শুরু হওয়া খাদ্য সংগ্রহ অভিযান আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। তিনি বলেন, “চলতি বোরো মৌসুমে সংগ্রহ প্রক্রিয়া চলমান থাকায় এবং আমদানিসহ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে আগামী দিনগুলোতে মজুতের পরিমাণ আরও বাড়বে।”

সরকারের এই শক্তিশালী মজুত পরিস্থিতি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ