বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
সংসদে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী - সড়ক দুর্ঘটনা রোধে গণপরিবহনে জিপিএস চালুর উদ্যোগ তামাকমুক্ত পরিবহন নিশ্চিতের দাবি - গণপরিবহনে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার আড়াই কোটি মানুষ স্থানীয় সরকার নির্বাচনও অবাধ, সুষ্ঠু-গ্রহণযোগ্য করতে কমিশন বদ্ধপরিকর: সিইসি ২ বছরের ওয়ারেন্টিসহ দেশের বাজারে শাওমি নিয়ে এলো রেডমি নোট ১৭ সিরিজ আইসিএবি ও আইসিএমএবি’র  জয়েন্ট কলাবোরেশন ফ্রেমওয়ার্ক স্বাক্ষর বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইএফআইসি ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা কোম্পানি আইন সংশোধনে শেয়ার বাইব্যাক ও মার্জার-অ্যাকুইজিশনের বিধান চায় ডিবিএ হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনায় দুই সেনাসদস্য নিহত ১৪ সেপ্টেম্বর আমরা টেকনোলজিসের বোর্ড সভা
advertisement
সারাদেশ

মৌলভীবাজারে ৪’শ একর জমি চাষে অনিশ্চয়তায়

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: চলছে বৈশ্বিক খাদ্য সংকট। তার প্রভাব থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে প্রতি ইঞ্চি জমিতে ফসল আবাদ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু এদিকে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় প্রায় ৪০০ একর জমিতে বোরো আবাদে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। নেই কর্তৃপক্ষের বিশেষ নজর।

জুড়ী উপজেলায় সাগরনাল ইউপি ৪০০ একর জমিতে বোরোসহ অনান্য ফসল আবাদে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা মনে করছেন একটি স্লুইসগেটের অভাবে ৪০০ একর জমি চাষের আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না।

স্থানীয়রা জানান, বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিক বার অবহিত করা হলেও আশ্বাস ছাড়া কিছুই মিলেনি, শুধু মাত্র আশ্বাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ। উপজেলার সাগরনাল ইউপিতে চলতি বোরো মৌসুমে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ নির্মাণ করে পানি আটকিয়ে ১৫০ একর পতিত জমি চাষের আওতায় আনা হয়। কিন্তু সেখানে একটি স্লুইচগেট নির্মাণ করা হলে পুরো দমে এলাকাজুড়ে চাষের আওতায় আসবে।

শফিক মিয়া নামের এক কৃষক জানান, আমরা সাগরনাল থেকে নালার মাধ্যমে পানি সেচ দিয়ে বোরো চাষে ব্যর্থ হই। পানির স্তর নিচে নেমে গেলে জমি নষ্ট হয়ে যায়। জমির পাশে একটি স্লুইচগেট নির্মাণ হলে পানি সংরক্ষণ সম্ভব। আর সে পানি দিয়ে চাষাবাদ করা যায়।

সাগরনাল গ্রামের জলিল মিয়া বলেন, আমরা নিজেদের খরচে আমরা একটি বাঁধ নির্মাণ করেছি। আশা করছি এ মৌসুমে ১৫০ একর জমিতে বোরো আবাদ হবে।

ভুক্তভোগী কৃষক বাচ্চু ভর, ফুল মিয়া, কমলাকান্ত, দাদু কেওট ও জগদীশ ভর জানান, দিনদিন যেখানে ধান-চালের দাম বাড়ছে, সেখানে আমাদের প্রায় ৪০০ একর জমি চাষের আওতায় নেই। আমাদের জমি এভাবেই পড়ে থাকছে। যদি এই জমিগুলো চাষের আওতায় ফিরানো হয় তাহলে অনেক পরিবারকে না খেয়ে থাকতে হবে না। কেউ এই ধান বিক্রি করে তাদের সন্তানদের লেখাপড়ার যাবতীয় খরচ চালাতে পারবে। একটি স্লুইসগেট হলেই আবার সবুজের সমারোহ দেখা যাবে।

সাগরনাল ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রদীপ যাদব বলেন, স্লুইসগেটের বিষয়টি নিয়ে কৃষি বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা শুধু আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। পরে আমরা নিজ উদ্যোগে একটি বাঁধ নির্মান করেছি।

জুড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, চাষিদের দাবি অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব রেখেছি। এখানে একটি স্লুইসগেটের প্রয়োজন রয়েছে। চাষিরা ইতোমধ্যে সেখানে একটি বাঁধ নির্মাণ করেছে। এতে ওই এলাকায় ১৫০ একর জমিতে নতুন করে বোরো চাষ হবে। কতৃপক্ষের শুনজর থাকলে ভালো কিছু ঘটবে বলে আশা করি।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ