সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী - জ্বালানি তেল পাচার রোধ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই মূল্য সমন্বয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শান্তি দিবস-২০২৬ উদযাপন করল জেএমআই গ্রুপ সাড়ে পাঁচ বছরের মধ্যে ডলারের বিপরীতে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে টাকা জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি - বেনাপোলে ট্রাকপ্রতি ভাড়া বেড়েছে ৪-৫ হাজার টাকা, দ্রব্যমূল্যে প্রভাব পড়ার শঙ্কা মমেক হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড - তদন্ত কমিটির মেয়াদ বাড়লো আরও ৫ দিন আন্তর্জাতিক বাজারে ওয়ালটনের মতো দেশীয় ব্র্যান্ডকে আরও তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রদূত গ্যালাক্সি এ৩৭ ৫জি ও গ্যালাক্সি এ৫৭ ৫জি-তে স্যামসাংয়ের ক্যাশব্যাক অফার নান্দাইলে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন দেশের এসইউভি বাজারে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করলো দীপাল এস০৫ পিএইচইভি রেফ্রিজারেটরের যে যত্নগুলো নেয়া প্রয়োজন
advertisement
সারাদেশ

কক্সবাজার সদর হাসপাতাল কে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী 

মোহাম্মদ রিদুয়ান হাফিজ কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ দেশে সরকারি হাসপাতালে নির্দিষ্ট সময়ের পর চিকিৎসকরা যাতে বেসরকারিভাবে রোগী দেখতে পারেন তার জন্য সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। 

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে  ডা,আবদুর নুর বুলবুল আধুনিক বহির্গমন বিভাগের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধনে এসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন,কক্সবাজার সদর হাসপাতাল কে ২৫০ শয্যা থেকে ৫০০ বেড়ে উন্নীত করা হবে।কারণ এখানে দৈনিক ৭০০ থেকে ৮০০ শ” রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে।এর বাইরে রোহিঙ্গা রোগীদের চাপ সব মিলিয়ে বেহাল অবস্থা। ২৫ লাখ কক্সবাজারবাসী ও ১৩ লাখ রোহিঙ্গার চিকিৎসা সেবা দিতে হাসপাতালে রোগীর সংকুলান হচ্ছে। আধুনিক চিকিৎসা সেবার মান বাড়াতে ডায়ালাইসিস সেবাও প্রধান করা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চিকিৎসকরা প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে পারেন। তারা ক্লিনিকেও কাজ করতে পারেন; সেই ব্যবস্থা বর্তমান নীতিমালায় রয়েছে। এটা কোনো অন্যায় নয়। তবে নীতিমালায় এটুকু আছে যে, স্ব স্ব কর্মরত প্রতিষ্ঠানে দুপুর ২টা পর্

নতুন নীতিমালার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তারা বাইরে চেম্বারে গিয়ে যে রোগী দেখেন, তাদের সেই ব্যবস্থা বা সুযোগটাই স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে করে দিতে চাচ্ছি। যে প্রতিষ্ঠানে তিনি চাকরি করেন সেখানেই তো চেম্বার আছে। সেখানেই ডাক্তাররা প্র্যাকটিস করতে পারবেন।’

এতে চিকিৎসকরা তাদের সুবিধাটুকু পাবেন, রোগীরাও সেবা পাবেন বলে মনে করেন মন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘হাসপাতালে ভর্তি রোগী যারা আছেন তারা সবসময় সেই সেবাটা পাবেন। এটা নিয়ে আমরা ‍খুবই সক্রিয়ভাবে কাজ করছি। এটা প্রধানমন্ত্রীও অবহিত আছেন।’

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা-ইউএনএইচসিআর ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এই ভবন করে দিচ্ছে। এর আগে মন্ত্রী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

স্থানীয়দের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও পর্যটকদের কথা বিবেচনায় এখানকার স্বাস্থ্যসেবার পরিধি আরও সম্প্রসারণ জরুরি বলে মনে করেন জাহিদ মালেক।

হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমলের সভাপতিত্বে ও হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. মোমিনুর রহমানের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, সাবেক সচিব হাবিবুর রহমান খান, অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা নয়ন, ইউএনএইচসিআরের কক্সবাজার অঞ্চলের প্রধান ইয়োকো আকাসাকা, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, সিভিল সার্জন মাহবুবুর রহমান  ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। 

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ